Justice Abhijit Gangopadhyay: বনসহায়ক পদে ২ মাসের মধ্যে নিয়োগ শুরুর নির্দেশ, চাকরিহারাদের নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত – calcutta high court ordered to start recruitment process of bana sahayak post with in two months


Bana Sahayak Recruitment 2023 রাজ্যে বনসহায়ক পদে ২ হাজার চাকরির প্যানেল বাতিল নিয়ে দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করে দিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং বিচারপতি পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ।

বনসহায়ক পদে চুক্তিভিত্তিক ২ হাজার জনের চাকরি প্যানেল অবৈধ বলে জানিয়েছিলেন বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নির্দেশ ছিল, আগামী ২ মাসের মধ্যে পুরনো প্যানেল বাতিল করে ইন্টারভিউ নিয়ে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। নির্দেশ মতো ইতিমধ্যেই এই পদের জন্য আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। বিচারপতি বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে অবকাশকালীন বেঞ্চে যান কয়েক জন কর্মী। সেই দাবি খারিজ করে দেয় আদালত। হাইকোর্ট নির্দেশ, আগামী দু মাসের মধ্যে পুরনো বিজ্ঞপ্তি মেনে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। সেখানে অংশ নিতে পারবেন সদ্য চাকরি হারারাও।

Bana Sahayak Recruitment: হাতে সময় ৭ দিন, বনসহায়ক পদে আবেদনের খুঁটিনাটি জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি রাজ্যের
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে গত ১৯ মে বনসহায়কের ২০০০ পদে নিয়োগের জন্য ফের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করছে রাজ্য বন দফতর। বন দফতরের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

গত ৩ মে বনসহায়ক পদে অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগে করা মামলায় হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, আগামী দু মাসের মধ্যে নিয়ম মেনে নতুন ভাবে ইন্টারভিউ করতে হবে। সেই তালিকা প্রকাশ করতে হবে ওয়েবসাইটে। যাঁরা যোগ্যদের তালিকায় ঠাঁই পাবেন তাঁদের চাকরি থাকবে। বাকিদের চাকরি বাতিল হতে পারেই বলে হাইকোর্ট জানিয়েছিল।

Download Bana Sahayak Form 2023: বনসহায়ক পদে আবেদন করবেন কী ভাবে? রইল খুঁটিনাটি
এদিন এই মামলা দ্রুত শুনানির আর্জি শুনতে রাজি হয়নি আদালত। এদিন এজলাসে আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবীর আর্জি ছিল, পুরনো প্যানেলে অনিয়ম হলে সেখান থেকে অযোগ্যদের বার করে দেওযা হোক। যোগ্যদর কেন নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে?

Madan Mitra: ৩৬ হাজার! নাম না-করে বিচারপতিকে বিঁধলেন মদন!

২০২০ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টেবর মাসে বনসহায়ক পদে নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউ হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দু’হাজার শূন্যপদ ছিল, চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ। মাসিক ভাতা ১০ হাজার টাকা। সহায়করা মূলত ফরেস্ট গার্ডদের মতোই বনসুরক্ষার কাজ করবেন। রাজ্যের বিভিন্ন বনাঞ্চল ও সেখানে থাকা বন্যপ্রাণীদের সুরক্ষার জন্য বহু কর্মী প্রয়োজন। কিন্তু,বন দফতরে নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় সে কাজে ভাঁটা পড়ে। বন সহায়ক পদের লোকজন সেই কাজে অনেকটা সাহায্য করতে পারবে বলে এই পদ তৈরি করে নিয়োগ হয়। কিন্তু সেই পদে নিয়োগ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ওঠে। বিরোধীরা প্রথম থেকেই অভিযোগ তোলে, কিছু লোককে চাকরি পাইয়ে দিতেই এই পদ তৈরি করা হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *