সারা বছরই প্রচুর সংখ্যায় মানুষ তারাপীঠে আসেন। এই তীর্থক্ষেত্রে আগত যাত্রীদের নেশায় বুঁদ করে অর্থ উপার্জন করতে মন্দিরের ঢিল ছোড়া দূরত্বে গজিয়ে উঠেছে এই ডান্সিং বার। এই বারের স্বল্প পোশাকে তরুণীরা নাচ করে মদ্যপায়ীদের মন জোগাড়ের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, প্রত্যেকদিনই এই বারে মদ্যপদের মধ্যে অশান্তি তৈরি হচ্ছে। কারও মোবাইল বা হার ছিনতাই হলে যে যদি অভিযোগ জানাতে চান, তবে তাঁকে বাউন্সার দিয়ে মেরে বাইরে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে বার কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি তারপীঠের ওই বারে জয়ন্ত রায় নামে এক মদ্যপায়ীর সঙ্গে এমনই ঘটনা ঘটেছে। তিনি প্রশাসনের সর্বত্র লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই নিয়ে তিনি বলেন, ‘এই বারে রাত বাড়লে মদের সঙ্গে ড্রাগ মিশিয়ে দেওয়া হয়। হুক্কার সঙ্গে গাঁজা, চরস মিশিয়ে নেশায় বুদ করে সব লুঠপাঠ করে নেওয়া হয়। আমার সঙ্গেও একই ব্যবহার করা হয়েছে। সাড়ে তিন লাখের সোনার চেন আমার থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমি প্রশাসনের সর্বত্র লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।’
তারাপীঠের মন্দির কমিটি এই নিয়ে ক্ষুব্ধ। মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘তীর্থক্ষেত্রেই এই ধরনের বার চালানো উচিত নয়। এছাড়াও তারাপীঠের মতো একটি পবিত্র স্থানে এই ধরনের কার্যকলাপ ধর্মপ্রাণ মানুষদের মনে কুপ্রভাব ফেলবে। তাই এই ধরনের বারগুলি বন্ধ করার জন্য প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক আমরা এটাই চাই।’ আগামী দিনে এই বার বন্ধে পুলিশ প্রশাসন কী ভূমিকা নেয় ও কড়া পদক্ষেপ করা হয় কি না সেটাই এখন দেখার।
