Tarapith Mandir : উষ্ণ পোশাকে চটুল নাচ, মদে মেশানো হচ্ছে ড্রাগ! তারাপীঠের বার নিয়ে থানায় অভিযোগ – dancing bar misbehaving with customer near tarapith maa kali temple


রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় তীর্থস্থান গুলির মধ্যে তারাপীঠ অন্যতম। প্রত্যেক বছর বিভিন্ন সময় অসংখ্য দর্শনার্থী তারা মায়ের দর্শনের জন্য তারাপীঠে আসেন। কিন্তু সেই তারপীঠে অবাধে চলছে ডান্স বার। কোনও অনুমতি ছাড়াই সেখানে ছোটো ছোটো পোশাকে চলছে চটুল গানের নাচ। করা হচ্ছে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে বাড়ে অশ্লীলতার রমরমা। নাচের সময় ওড়ানো হয় লাখ লাখ টাকা।মদ্যপান ও মহিলাদের নাচে মশগুল হয়ে সর্বসান্ত হন মদ্যপরা। তারাপীঠের এক ডান্স বারের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ উঠল। এমনকী ওই ডান্সিং বারে মোবাইল, সোনার গয়না ছিনতাই করে নেওয়া হয়। এমন অভিযোগ পেয়ে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে প্রশাসন। মন্দির কমিটির তরফেও বার বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।

Tarapith Mandir: তীর্থযাত্রীদের জন্য তারাপীঠ মন্দিরে এবার বড় চমক, বিনামূল্যে মিলবে WIFI পরিষেবা
সারা বছরই প্রচুর সংখ্যায় মানুষ তারাপীঠে আসেন। এই তীর্থক্ষেত্রে আগত যাত্রীদের নেশায় বুঁদ করে অর্থ উপার্জন করতে মন্দিরের ঢিল ছোড়া দূরত্বে গজিয়ে উঠেছে এই ডান্সিং বার। এই বারের স্বল্প পোশাকে তরুণীরা নাচ করে মদ্যপায়ীদের মন জোগাড়ের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, প্রত্যেকদিনই এই বারে মদ্যপদের মধ্যে অশান্তি তৈরি হচ্ছে। কারও মোবাইল বা হার ছিনতাই হলে যে যদি অভিযোগ জানাতে চান, তবে তাঁকে বাউন্সার দিয়ে মেরে বাইরে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে বার কর্তৃপক্ষ।

Mathura Temple Dress Code : সনাতন ধর্মের পরিপন্থী, মথুরার মন্দিরে মহিলা ভক্তদের ছোট-টাইট পোশাকে প্রবেশ নিষিদ্ধ
সম্প্রতি তারপীঠের ওই বারে জয়ন্ত রায় নামে এক মদ্যপায়ীর সঙ্গে এমনই ঘটনা ঘটেছে। তিনি প্রশাসনের সর্বত্র লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই নিয়ে তিনি বলেন, ‘এই বারে রাত বাড়লে মদের সঙ্গে ড্রাগ মিশিয়ে দেওয়া হয়। হুক্কার সঙ্গে গাঁজা, চরস মিশিয়ে নেশায় বুদ করে সব লুঠপাঠ করে নেওয়া হয়। আমার সঙ্গেও একই ব্যবহার করা হয়েছে। সাড়ে তিন লাখের সোনার চেন আমার থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমি প্রশাসনের সর্বত্র লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।’

Child Marriage : লুকিয়ে নাবালিকা বিয়ে! গোপন খবরের ভিত্তিতে পুলিশি অভিযানে আটক ৪ জোড়া নবদম্পতি
তারাপীঠের মন্দির কমিটি এই নিয়ে ক্ষুব্ধ। মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘তীর্থক্ষেত্রেই এই ধরনের বার চালানো উচিত নয়। এছাড়াও তারাপীঠের মতো একটি পবিত্র স্থানে এই ধরনের কার্যকলাপ ধর্মপ্রাণ মানুষদের মনে কুপ্রভাব ফেলবে। তাই এই ধরনের বারগুলি বন্ধ করার জন্য প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক আমরা এটাই চাই।’ আগামী দিনে এই বার বন্ধে পুলিশ প্রশাসন কী ভূমিকা নেয় ও কড়া পদক্ষেপ করা হয় কি না সেটাই এখন দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *