কর্তব্যরত জওয়ানরা সুনির্দিষ্ট খবর পান যে একজন ট্রাক চালক একটি খালি ট্রাক নিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশ করতে চলেছে। সঙ্গে সঙ্গে তল্লাশি দল গঠন করেন জওয়ানরা। ট্রাক ভারতীয় অংশে প্রবেশের পর জওয়ানরা উল্লিখিত ট্রাকটিকে থামিয়ে তল্লাশির জন্য গুদামে নিয়ে যায়।
জওয়ানরা ট্রাকটির পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি চালালে তারা ট্রাকের কেবিনে স্পিকার বক্সের পিছনে একটি কাপড়ে মোড়ানো ৩৬ টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করে। এরপর জওয়ানরা ট্রাক ও সোনা সহ চোরাকারবারীকে সীমা চৌকি নিয়ে আসে। ধৃত পাচারকারীর নাম প্রদীপ রায় চৌধুরী, বাড়ি তালিখোলা (মতিগঞ্জ), জেলা উত্তর ২৪ পরগনা।
অন্যদিকে, সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের অধীন আইসিপি পেট্রাপোল, ১৪৫ ব্যাটালিয়নের কর্মীরা যাত্রী টার্মিনালে ০১ টি সোনার বিস্কুট সহ একজন বাংলাদেশী যাত্রীকে আটক করেছে। জব্দ করা সোনার বিস্কুটের ওজন ১১৬.৬৪০ গ্রাম। যার আনুমানিক মূল্য ৭,১২,৬৭০/- টাকা। ওই যাত্রী বাংলাদেশ থেকে ভারতে এই সোনা আনার চেষ্টা করছিল ।
তল্লাশির সময় জওয়ানরা হ্যান্ড হেল্ড মেটাল ডিটেক্টর (এইচএইচএমডি) থেকে বিপ শব্দ শুনতে পান। এরপর ওই যাত্রীর স্যান্ডেল থেকে একটি সোনার বিস্কুট বাজেয়াপ্ত করে জওয়ানরা। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই যাত্রীকে সীমান্ত চৌকিতে নিয়ে আসে। ধৃত পাচারকারীর নাম মহম্মদ মাহমুদুনবী শেখ (৫২), বাড়ি সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ বলে জানা গিয়েছে।
দেশের সীমান্তে বসবাসকারী লোকদের বিএসএফ-এর সীমা সাথী হেল্পলাইন নম্বর ১৪৪১৯ এ যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে। এ ছাড়া দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত আরও একটি নম্বর ৯৯০৩৪৭২২২৭ জারি করেছে, যাতে সোনা চোরাচালান সংক্রান্ত তথ্য হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ বা ভয়েস মেসেজ করে পাঠানো যাবে। সঠিক তথ্য প্রদানকারী ব্যক্তিকে উপযুক্ত পুরস্কারের অর্থ প্রদান করা হবে এবং তার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে বিএসএফের তরফে।