Barrackpore Shootout : পাটনায় অধ্যাপিকা খুনের আসামিই কি মূল চক্রী? ব্যারাকপুর হত্যার নয়া তথ্য পুলিশের হাতে – asif, the main accused in the murder of the history teacher who was murdered in her bungalow in patna may be the mastermind behind the barrackpore incident


অশীন বিশ্বাস, ব্যারাকপুর
২০০৬ সালের ৩ ডিসেম্বর পাটনার অভিজাত পাটলিপুত্র কলোনিতে নিজের বাংলোয় খুন হয়েছিলেন ইতিহাসের অধ্যাপিকা পাপিয়া ঘোষ। দিল্লি ও পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথিতযশা অধ্যাপিকা পাপিয়ার বোন টুকটুক তখন ছিলেন লোকসভার তৎকালীন স্পিকার প্রয়াত সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বিশেষ সচিব। দেশের শিক্ষামহলে শোরগোল ফেলে দেওয়া সেই খুনে ধরা পড়েছিল আশিস কুমার নামের এক দুষ্কৃতী। ডাকাতিতে বাধা পেয়ে রান্নাঘরের ছুরি দিয়ে ৩৪ বার নৃশংস ভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল ৫৩ বছরের পাপিয়া ও তাঁর বৃদ্ধা পরিচারিকাকে।

Barrackpur Shootout: ব্যারাকপুর শ্যুটআউটের ঘটনায় গ্রেফতার ২, এখনও ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা এলাকা
২০০৮ সালে সেই খুনে যাবজ্জীবন সাজা হয় আশিসের। সাজা শেষ করে গত বছরই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিল ওই কুখ্যাত দুষ্কৃতী। সেই আশিসই নাম পাল্টে আসিফ নামে ইদানীং পরিচিত। ব্যারাকপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ছেলে খুনের ঘটনায় এই আশিসের যোগ উঠে এসেছে তদন্তকারী গোয়েন্দাদের হাতে। আশিস ওরফে আসিফই ব্যারাকপুরের ঘটনার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হতে পারে বলে বেশ কিছু তথ্য ইতিমধ্যে ব্যারাকপুর কমিশনারেটের গোয়েন্দাদের হাতে উঠে এসেছে।

Barrackpur Shootout: গ্রেফতার ২, ব্যারাকপুর শ্যুটআউট কাণ্ডে তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে জানাল পুলিশ
পাটনার আইএএস অফিসার উজ্জ্বল কুমার ঘোষ খুন হয়েছিলেন ১৯৫৭ সালের ৩ ডিসেম্বর। তার ঠিক ৫০ বছর পর ভয়াবহ নৃশংসতায় খুন হন তাঁর মেয়ে ইতিহাসের নামজাদা শিক্ষিকা পাপিয়া। সে সময় নৈরাজ্যের অন্ধকারে ডুবে থাকা বিহারকে দেশের মানচিত্রে উপরের দিকে তুলে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তাঁর সেই কাজে অন্যতম সহায়িকা ছিলেন পাপিয়া।

Barrackpore Shootout : আঁকা ছেড়ে ব্যবসায় যাওয়াই হলো কাল
পুলিশ সূত্রে খবর, গত বুধবার আনন্দপুরীর সোনার দোকানে যে চারজন দুষ্কৃতী ঢুকেছিল, তার মধ্যে ইতিমধ্যে ধৃত সফি খান, জামশেদ আনসারি-সহ আসিফও ছিল। সূত্র অনুযায়ী, আসিফের মোবাইল টাওয়ারের শেষ লোকেশন ওডিশায় পাওয়া গিয়েছে। এখনও তার নাগাল না পেলেও, তাকে ধরতে যে ভাবে জাল বিস্তার করা হয়েছে তাতে খুব শীঘ্রই তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন ব্যারাকপুরের দুঁদে গোয়েন্দারা।

Barrackpore Shootout : ‘৪০ কেজির ভুঁড়ি নিয়ে কী করবে?’, ব্যারাকপুরের ঘটনায় পুলিশকে খোঁচা অর্জুনের
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনায় ধৃত সফি খান কামারহাটির একটি চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তারির পর ছাড়া পেয়ে পরিবার নিয়ে আদি বাসস্থান ঝাড়খণ্ডে চলে যায়। কিন্তু সেখান থেকে চলতি বছরের প্রথম দিকে সে রহড়ার পাতুলিয়ার একটি অভিজাত আবাসনে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকা শুরু করে। ঘটনায় আর এক ধৃত তার মামা জামশেদ আনসারিও একটি অপহরণের ঘটনায় বিহারের ভাগলপুর জেলে বন্দি ছিল। সেও কয়েক বছর আগে জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে৷ ফলে পুরোনো অপরাধের রেকর্ড রয়েছে এমন দুষ্কৃতীরাই ব্যারাকপুরের ঘটনায় জড়িত বলে যে সন্দেহ পুলিশ করছিল সেই তত্ত্বই জোরালো হচ্ছে।

D Bapi Biriyani-তে গুলির ঘটনার সঙ্গে ব্যারাকপুর শ্যুটআউটের যোগসূত্র আছে! বিস্ফোরক অর্জুন সিং
ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া বলেন, ‘দুষ্কৃতীদের পুরোনো অপরাধের রেকর্ড যেমন আমরা খতিয়ে দেখছি, তেমনই তদন্ত সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য আমরা পুঙ্খানুপুঙ্খ খুটিয়ে দেখছি।’ মঙ্গলবার নিহত নীলাদ্রি সিংহের বাড়িতে যান বরাহনগরের বিধায়ক এবং ব্যারাকপুর দমদম সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি তাপস রায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *