Lalbazar Police Station : লালবাজারের নথি এখন খাবার দোকানের মোড়ক! – lalbazar crime suppression department circular copies are being used for giving food to shops


এই সময়: লালবাজারের অপরাধ-দমন বিভাগের সার্কুলারের প্রতিলিপি ব্যবহৃত হচ্ছে দোকানে খাবার দেওয়ার কাজে! কলকাতা পুলিশের সদর কার্যালয়ের উল্টো দিকের খাবারের দোকানগুলিতেই চলছে এমন কাণ্ড। এর জেরে পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য আমজনতার কাছে সহজলভ্য হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এর জেরে প্রশাসনিক কাজের গোপনীয়তা বিঘ্নিত হওয়ারও আশঙ্কা। কলকাতা পুলিশের একাধিক প্রাক্তন কর্তার বক্তব্য, এই বিষয়ে লালবাজারের আধিকারিকদের আরও সতর্ক হওয়া দরকার। গুরুত্ব দিয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

Kolkata Cyber Fraud : ফোনে বিশেষ ধরণের মেসেজ, OTP ছাড়াই গায়েব টাকা! কলকাতাবাসীকে সতর্ক করল পুলিশ
সম্প্রতি লালবাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি কচুরির দোকান থেকে জিলিপি কিনতে গিয়ে এক ব্যক্তি দেখেন, যে-কাগজে খাবার দেওয়া হয়েছে, তাতে লেখা, গোয়েন্দা বিভাগের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার গিরিশ পার্ক থানার একটি প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে কসবার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ম্যানেজারের কাছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি চেয়ে পাঠিয়েছেন। সার্কুলারটি প্রকাশের তারিখ ২০২২ সালের ২৭ জুলাই। মেমো নম্বর ১৫২। এমনিতে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের এমন গুরুত্বপূর্ণ নথি বাইরে আসার কথাই নয়।

Kalighat : কালীঘাটের শিশুপুত্রকে দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে বিক্রি দম্পতিকে!
তা হলে কী করে লালবাজারের বাইরে এল এমন কাগজ? স্থানীয় একাধিক দোকানদারের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন লালবাজারের বিভিন্ন বিভাগে অনেক সার্কুলার প্রকাশিত হয়। লালবাজারের কর্মীরাই সংলগ্ন ফটোকপির দোকানগুলিতে সেগুলি নিয়ে আসেন প্রতিলিপি করার জন্যে। অনেক সময় কিছু প্রতিলিপি বাতিলও হয়। দোকানে সেই বাতিল কাগজ জমানো থাকে। পরে পুরনো কাগজগুলি লালবাজার লাগোয়া খাবারের দোকানগুলিতে কেজি দরে বিক্রি হয়। এ ভাবেই পুলিশের গোপন এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিও লালবাজারের সিংহদুয়ার টপকে রাজপথে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যায়। কলকাতা পুলিশের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, এগুলি দোকানে যাওয়ার কথাই নয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *