Bharatiya Janata Party : ১৬ দুর্গের হাল দেখতে বঙ্গে শাহ-সেনাপতিরা – central bjp ledaers are coming to west bengal ahead of lok sabha


এই সময়: ‘দুর্গ’ আদৌ কতটা নিরাপদ? ২০২৪-এর ভোটযুদ্ধের পর সেগুলি অক্ষত থাকবে কি? দুর্গের সেনাপতিরা গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরছেন না তো? এই সব প্রশ্নের সদুত্তর পেতে অমিত শাহর দূতেরা বাংলায় আসছেন। হাওয়া বুঝে নিয়ে দিল্লি ফিরে শাহর হাতে তুলে দেবেন রিপোর্ট। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করছে বাংলায় বিজেপির ১৬টি দুর্গের সেনাপতিদের ভবিষ্যৎ।

Modi Shah Nadda : বঙ্গে জুনেই হয়তো মোদী, শাহ-নাড্ডাও
২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে ১৮টি আসনে জিতেছিল বিজেপি। তার মধ্যে ১৬টি এখনও তাদের হাতে। এই লোকসভা কেন্দ্রগুলিই বিজেপির পরিভাষায় ‘দুর্গ’। গোড়ায় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ঠিক করেছিলেন, গত লোকসভা ভোটে হেরে যাওয়া আসনগুলিকেই পাখির চোখ করা হবে। সেই মতো বাংলার ২৪টি লোকসভা কেন্দ্রে তৎপরতা বাড়িয়েছিলেন দিল্লির নেতারা।

Bengal BJP : বামেদেরও নিশানা করার নিদান এবার বিজেপি নেতৃত্বের
ভূপেন্দ্র যাদবের মতো নেতারা ২৪ কেন্দ্র ঘুরে রিপোর্টও দিয়েছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডাকে। সেই রিপোর্টে কী আছে, তা প্রকাশ্যে না এলেও তার পরেই বিজেপি রণকৌশল পাল্টেছে। এখন তারা দুর্গ বাঁচাতে ঝাঁপাচ্ছে। দলীয়স্তরে সিদ্ধান্ত, বিজেপির দখলে থাকা ১৬টি লোকসভা কেন্দ্রের সাংগঠনিক পরিস্থিতি বোঝার জন্যে আট জন হেভিওয়েট কেন্দ্রীয় নেতা বাংলায় আসবেন।

Sukanta Majumdar : কাটআউটে ‘নিউ লুক’ পেতে ফটোশুটে সুকান্ত
শুক্রবারই অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন। তাঁকে সঙ্গত করতে দু’একদিনের মধ্যেই রাজ্যে আসছেন বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদী। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, রায়গঞ্জ এবং আলিপুরদুয়ার–এই চারটি কেন্দ্রে ঘুরে তাঁরা সাংগঠনিক রিপোর্ট তৈরি করবেন। সূত্রের খবর, জঙ্গলমহল এলাকায় বিজেপির দখলে থাকা ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর এবং পুরুলিয়া লোকসভা কেন্দ্রের রিপোর্ট তৈরি করতে আসবেন ঝাড়খণ্ডের কোনও শীর্ষ বিজেপি নেতা।

North 24 Parganas News : ‘লাল ও সাদা দুটো ডায়েরি তৈরি হচ্ছে…’, পুলিশকে চরম হুঁশিয়ারি BJP বিধায়কের
বঙ্গ-বিজেপির এক পদাধিকারীর কথায়, ‘কেন্দ্রীয় নেতারা এখানকার বিভিন্ন কেন্দ্রের বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে চাইবেন, দুর্গে পরিস্থিতি কতটা অনুকূল? সংগঠনে ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে তা মেরামতের সময় আছে কিনা?। দলীয় সাংসদের এলাকায় জনসংযোগ কেমন–সেটাও ওঁরা বুঝে নেবেন।’ বিজেপির অন্দরের খবর, কেন্দ্রীয় নেতাদের রিপোর্ট আশাব্যঞ্জক না হলে কঠোর পদক্ষেপের কথাও ভাবতে পারেন শাহ-নাড্ডারা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *