CESC Power Outage : বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য দায়ী কি গ্রাহকরাই? বার বার লোডশেডিং নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন – why power cut is happening in cesc area know the details


ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট, দফায় দফায় লোডশেডিংয়ে নাজেহাল কলকাতাবাসী। বেশ কয়েকদিন ধরে শহর ও শহরতলির বিভিন্ন অংশ পরিস্থিতি খানিকটা এমনই। তীব্র গরমের উপর দোসর লোডশেডিংয়ে ওষ্ঠাগতপ্রাণ। শহরবাসী কাঠগড়ায় তুলেছে বিদ্যুৎ বণ্টনকারী সংস্থা CESC-কে। এপ্রিলর শেষদিকেও পরিস্থিতিও অনেকটা একই রকম ছিল। যেখানে কয়েক বছরে লোডশেডিংকে ভুলতে বসেছিল বাঙালি, সেখানে হঠাৎ করে ঠিক কী কারণে কলকাতার বিদ্যুৎ সরবরাহে এই ধরনের সমস্যা দেখা দিল?

CESC : দফায় দফায় লোডশেডিং! CESC কর্তাদের ডেকে বিদ্যুৎমন্ত্রী বললেন, ‘…অভিযোগ যেন না আসে’
কলকাতার এক প্রথম শ্রেণির দৈনিক এ নিয়ে কথা বলেছিল সিইএসসি আধিকারিকদের সঙ্গে। ঠিক কী কারণে কলকাতায় এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটল, তা জানার চেষ্টা করেছে তারা। CESC আধিকারিকরা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মূল কারণ হিসেবে অনুমোদিত লোডের বাইরে বৈদ্যুতিন যন্ত্র ব্যবহারের কথাই জানিয়েছেন। অর্থাৎ এয়ার কন্ডিশনারের যথেচ্ছ ব্যবহারের দিকে ইঙ্গিত করেছেন তাঁরা। সিইএসসি আধিকারিকদের দাবি, অনেক পরিবার একটি এসির অনুমোদিত লোডে ২টি বসিয়েছেন। সেই কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার ইঞ্জিনিয়ারদের সূত্রে জানা গিয়েছে, মিনিয়েচার সার্কিট ব্রেকার বা এমসিবি, একটি যন্ত্র যা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে বৈদ্যুতিক সার্কিট বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়। ওভারলোডের সময় এর ব্যবহার সিস্টেমের ক্ষতি করে। ওভারলোডিং একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। সার্কিটে বিদ্যুৎ সংযোগ বাধার এটি অন্যতম বড় একটি কারণ। সেই কারণে কোনও বাড়িতে যথেচ্ছভাবে বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম ব্যবহার করা হলে এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

CESC : ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে চরম ক্ষুব্ধ শহরবাসী! প্রতিকারে সহযোগিতা চাইল CESC
CESC সূত্রে জানা গিয়েছে, বেহালা, ঠাকুরপুকুর, একবালপুর, দমদম, পাইকপাড়া এবং কাশীপুর এলাকা থেকে সবথেকে বেশি লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শহর জুড়ে সিইএসসি ভ্যান এবং জেনারেটর সেট ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে। তবে সবসময় ওই ভ্যানগুলি উপদ্রুত এলাকায় যাচ্ছিল এমনটা নয়। সিইএসসি সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা শহরে ২৫০টি এই ধরনের ভ্যান ঘুরছে এবং বিদ্যুৎহীন এলাকাগুলিতে পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।

Power Cut In Kolkata : দিনে শেডিং, রাতে ফল্ট, ঘেমেনেয়ে জেরবার শহর
সিইএসসি আধিকারিকদের মতে, ওভারলোডিং একটি সিস্টেমকে একাধিক স্তরে নষ্ট করতে পারে। একটি ট্রান্সফরমার থেকে ৪০০-র কাছাকাছি ডোমেস্টিক কানেকশন দেওয়া সম্ভব। তাঁরা জানিয়েছেন, এমসিবি দ্রুত গরম হয়ে গেলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ঠান্ডা হয়ে গেলে এবং তাপমাত্রা হ্রাস পেলে আবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়, এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধার করে।’ এখন কবে লোডশেডিং থেকে মুক্তি পায় বঙ্গবাসী, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *