বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা আগের নির্দেশ বহাল রেখে ভর্ৎসনার সুরে রাজ্যকে বলেন, “যে বিধি মেনে হাজার হাজার বছর ধরে রথ টেনে জগন্নাথের মাসির বাড়ি যান ভক্তরা আর সপ্তাহ শেষে সেখান থেকে ফিরে আসেন, সেই রীতিতে বাধ সাধছে রাজ্য পুলিশ। যা কাম্য নয়।”
বিচারপতির রায়ে স্পষ্ট বক্তব্য, “আদালতের ধারণা, দেশের কোনও প্রান্তে এমন দাবি করে না পুলিশ। এখানে কোনও ব্যক্তিস্বার্থে এটা হচ্ছে কি না দেখতে হবে। ধর্মীয় উৎসবে কোনওভাবে বাধা দেওয়ার এক্তিয়ার পুলিশের নেই।” মামলাকারীদের তরফে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য।
রথের শোভাযাত্রার রাস্তা কমানো নিয়ে রাজ্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতির বক্তব্য, “রথ যদি অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়ে সেখান থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়, সেটা কি ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত নয়! পুরীর রথের শোভাযাত্রা যেখান থেকে শুরু হয়, সেখান থেকে অন্য জায়গায় সরিয়ে শুরু করতে বলতে পারবেন?”
বিচারপতির সংযোজন, “আপনারা নিরাপত্তা দিতে পারবেন না বলে অন্য ধর্মের লোকদের নামে দোষ দিচ্ছেন কেন? এইভাবে একটা এলাকাকে আপনারাই ব্ল্যাক লিস্টেড করে দিচ্ছেন। সম্প্রীতির পথটা আপনারাই বন্ধ করছেন।”
