মায়াপুর ইসকনের রথ
বাংলার অন্যতম রাধাকৃষ্ণের আরাধনাস্থল মায়াপুরের ইসকন মন্দির। সারাবছরই ইসকন মন্দিরে ভিড় করেন দেশ বিদেশের ভক্তরা। মায়াপুরের অন্যান্য সমস্ত উৎসবের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখের দাবি রাখে রথ। শোনা যায় কমবেশি ৫০০ বছর আগে রাজাপুরের এক স্থানীয় পুরোহিত এই রথযাত্রার সূচনা করেন। তবে কয়েকবছর চলার পর তা বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে ইসকন মন্দির কর্তৃপক্ষ ফের এই রথ-উৎসব চালু করেন। এই উৎসবের বিশেষত্ব হল, এখানকার রথ মন্দির থেকে বের হয় না।মহিষাদলের রথবাংলার আরও এক পুরনো রথযাত্রা হল মহিষাদলের রথযাত্রা। প্রায় ২৫০ বছর ধরে চলে আসছে এই উৎসব। শোনা যায় ১৭৭৬ সালে সেখানকার জমিদার আনন্দলাল উপাধ্যায়ের স্ত্রী জানকী দেবী এই রথযাত্রার সূচনা করেন। মহিষাদলের মানুষের কাছে এই রথের রশি টানা এক অন্য আবেগ।
গুপ্তিপাড়ার রথহুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত গুপ্তিপাড়া বাংলার এক বর্ধিষ্ণু অঞ্চল। শোনা যায় ১৭৪০ সালে প্রথম গড়ায় এই রথের চাকা। এই রথে চাপেন বৃন্দাবন জিউ। গুপ্তিপাড়ার রথের সবচেয়ে বিশেষত্ব হল, এই উপলক্ষে ৫২টি নিরামিষ পদের মোট ৪০ কুইন্টাল খাবার বিতরণ করা হয়।
আমাদপুরের রথযাত্রাপূর্ব বর্ধমানের মেমারি অঞ্চলে অবস্থিত আমাদপুর গ্রাম। আয়তেন ছোট হলেও এই জাকজমকের সঙ্গে উদযাপিত হল এখানকার রথযাত্রা। গ্রামের জমিদার পরিবারের আরাধ্য দেবতা রাধামাধব। তাঁদেরই ঘোরান হয় রথে চাপিয়ে। আর সবচেয়ে বড় কথা, রথের চাকার মাটি দিয়ে এই দিনেই হয় পরিবারের দুর্গোৎসবের কাঠামো পুজো।
খিদিরপুরের রথযাত্রাশহর কলকাতার খিদিরপুরে রয়েছে এক জগন্নাথ মন্দির। এই মন্দিরের সবচেয়ে বিশেষত্ব হল, পুরীর নিয়ম মেনেই এখানে হয় জগবন্ধুর নিত্যসেবা। একইভাবে এই দিনে সাড়ম্বরে আয়োজিত হয় রথযাত্রা।
