WB Panchayat Election : ভোট মরশুমে ‘মন খারাপ’ প্রাক্তন মন্ত্রীর! ‘ডাকলে যাই’, স্মিত হেসে বললেন রবি – ex minister rabindranath ghosh says trinamool congress will win in upcoming panchayat election23


ভোট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। মনোনয়ন প্রক্রিয়াও শেষ। নিজের দলকে জেতাতে জেলায় জেলায় মাঠে নেমে পড়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সেনাপতিরা। লক্ষ্য একটাই, কোনওক্রমে জিততে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচন। কয়েক বছর ধরে ভোটের মরসুমে বারবার উঠে এসে কোচবিহারের নাম। বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়েছে এই জেলা। কিন্তু বিগত ভোটগুলির তুলনায় এবারের নির্বাচন খানিক আলাদা রাজ্য তৃণমূলের সহ-সভাপতি ও কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষের কাছে।

West Bengal Panchayat News : টিকিট পেলেন না তৃণমূল বিধায়ক, দেওয়াল থেকে মোছা হল নাম! মহিষাদলে হইচই
১৯৯৮ সালে তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে ২০২১-র বিধানসভা। টানা কোচবিহারের জেলা তৃণমূল সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন রবি। কাজে খুশি হয়ে তাঁকে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতেরর মন্ত্রী করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে নাটাবাড়িতে পরাজয়ের পর থেকে শুরু রবির ‘খারাপ সময়’।

উদয়ন গুহ ও পার্থপ্রতিম রায়দের দাপটে এখন অনেকটাই পিছনের সারিতে রবীন্দ্রনাথ। জেলা তৃণমূলের অলিন্দে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ততটা সক্রিয় নন রবি। নিন্দুকরা বলেন সবাইকে নিয়ে না চলে পারা ও ‘গরম মেজাজ’-ই রবিকে পিছনের সারিতে পাঠিয়ে দিয়েছে।

Abhishek Banerjee : সব জেলা পরিষদে জিতবে তৃণমূল: অভিষেক
এই সময় ডিজিটালের মুখোমুখি হয়ে দলের প্রতি নির্ভেজাল আনুগত্যের পাশাপাশি ‘আক্ষেপ’ ধরা পড়ল রবির গলায়। তিনি বলেন, ‘লোকসভা বা বিধানসভার তুলনায় পঞ্চায়েত নির্বাচন অনেকটাই কঠিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল তৈরি হওয়ার পর থেকেই আমি মোট পাঁচটা পঞ্চায়েত নির্বাচন করেছি। এই পাঁচটা নির্বাচনই শান্তিপূর্ণভাবে ও মানুষকে বুঝিয়ে করতে সফল হয়েছি। যোগ্য প্রার্থীদেরই টিকিট দেওয়া হয়েছিল। ১৯৯৮ সালে আমার তেমন ভালো ফল করতে পারিনি, কারণ তখন তৃণমূলের কোনও ভোটব্যাঙ্ক ছিল না। ২০০৮ সাল থেকে আমরা সাফল্য পেতে থাকি। ২০১৩ ও ২০১৮টে ভালো প্রার্থী দিয়ে জেলা থেকে বিরোধীদের সাফ করে দিয়েছিলাম। মারামারি খুনোখুনি করতে হয়নি।’

Panchayat Election 2023 : হুগলিতে অতিরিক্ত মনোনয়ন জমা তৃণমূলের! ‘এটাই নব জোয়ারের ঢেউ’ কটাক্ষ BJP-র
তিনি আরও বলেন, ‘সমাজে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, আগে আমরা তাঁদেরই প্রার্থী করতাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন ও প্রার্থীদের উপর ভর করেই কোচবিহার জেলায় আমরা সফল হয়েছি। কিন্তু এখন তো আর আমি সভাপতি নেই। এখন যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁরা নিজেদের মতো করে কাজ করছেন। আমি দলের একজন নিষ্ঠাবান কর্মী। পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ সহ যে যে এলাকায় আমাকে প্রচারে জন্য ডাকা হচ্ছে, সেখানে সেখানে যাচ্ছি। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছি। আমি কর্মীসভা ও পথসভা করতে আমি পছন্দ করি। না ডাকলে যাচ্ছি না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *