WB Panchayat Election : আদালতের ধাক্কায় ফিরল হুঁশ! ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে চিঠি কমিশনের


কলকাতা হাইকোর্টে ধাক্কা খাওয়ার পড় হুঁশ ফিরল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রকে চিঠি লিখে ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি লিখে বাহিনী চেয়ছেন নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। বুধবার আদালতের নির্দেশে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে কেন্দ্রকে জানাতে হবে। এর পাশাপাশি ২০১৩ সালের তুলনায় বেশি সংখ্যক বাহিনী মোতায়েন করে নির্বাচন করার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার কিছু আগেই নির্বাচন কমিশনের তরফে চেয়ে পাঠানো হল বাহিনী।

WB Panchayat Election 2023 : কমিশনের নির্দেশ, ৬ জেলায় রাজ্য পুলিশের ‘স্পেশ্যাল ফোর্স’ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নবান্নের
এর আগে সুপ্রিম কোর্টেও (Supreme Court of India) ধাক্কার মুখে পড়তে হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার ও রাজ্য সরকারকে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য ও কমিশন। দাখিল করা হয় স্পেশ্যাল লিভ পিটিশন। দাখিল করা এসএলপি খারিজ করে শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে তারা চায় না। এর পাশাপাশি রাজ্যকে কড়ার ভাষায় ভর্ৎসনা করে সুপ্রিম কোর্ট বলে, ‘নির্বাচন হওয়া মানেই সন্ত্রাসের লাইসেন্স দেওয়া হয়।’ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর প্রত্যেক জেলার জন্য এক কোম্পানি বাহিনী, অর্থাৎ ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি লিখেছিল কমিশন। এদিন ফের ৮০০ কোম্পানি বাহিনী চাওয়া হল।

WB Panchayat Election : প্রাথমিক শিক্ষক-প্যারা টিচার-মেডিক্যাল অফিসারদের ভোটের কাজ থেকে অব্যাহতি, সিদ্ধান্ত
রাজ্যে প্রায় ৬১ হাজারের বেশি বুথ রয়েছে। এবার এক দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা করেছেন কমিশন। এক দফার ভোটে গোটা রাজ্যে সন্ত্রাস ও হিংসা রুখে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আদৌ পর্যাপ্ত কি না, সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীদের অনেকে। অনেকের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হলেও রাজ্য পুলিশের নির্দেশেই তাঁদের চলতে হবে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন কী ভাবে সম্ভব সেই নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে।

WB Panchayat Election : ‘নির্দেশ না মানলে স্টেপ ডাউন করুন…’, হাইকোর্টে তুলোধনা রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে
অন্যদিকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার জয়েনিং লেটার প্রত্যাখ্যান করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘ভেবেছিলাম দায়িত্ব পালন করবেন উনি। সেই কারণে রাজ্য মন্ত্রিসভার সুপারিশ অনুযায়ী ওঁকে নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু চারিদকে কী চলছে, তা সবাই দেখতে পাচ্ছে। সন্ত্রাস ও হিংসাকে বাংলার মাটি থেকে সমূলে উপড়ে ফেলতে হবে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট করতে হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *