Calcutta High Court : গ্রেফতারির আশঙ্কা, রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টে শয়ে শয়ে বিরোধী প্রার্থী! – hundreds of opposition candidates appeals to calcutta high court for safeguard


পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পর্বে বিভিন্ন জেলায় দফায় দফায় উত্তেজনা ছাড়া। বিরোধী দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন জমায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকী প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারে বাধ্য করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছিল। মনোনয়ন পর্ব মিটে যেতেই এবার নতুন আশঙ্কার বিরোধী প্রার্থীরা।

ভোটের আগেই গ্রেফতার হতে পারেন, এই আশঙ্কায় রাতের ঘুম উড়েছে বিরোধী দলের প্রার্থীর ও কর্মীদের। গ্রেফাতারির আশঙ্কা থেকেই এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিরোধী দলের প্রার্থীর ও কর্মী সমর্থকরা। দুই মেদিনীপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ সহ বেশ কিছু জেলার বিরোধী দলের প্রার্থীরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। ১৫ জুলাই অবধি রক্ষাকবচের আবেদন করা হয়েছে। দুপুর ২টো বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে সব মামলার শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে।

Calcutta High Court : নির্বাচন কমিশনার রাজীবের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা
পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা হতে আদালতে একের পর এক মামলা হয়েছে। ভোট ঘোষণার দিন রাজ্য পুলিশের উপর আস্থা প্রকাশ করেছিলেন নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। কমিশনের মনোভাব বোঝার পর পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। মনোনয়নর দিনক্ষণ বৃদ্ধি ও অনলাইনে মনোনয়ন জমা নেওয়ার আবেদন করা হয় প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি উদয় কুমারের বেঞ্চে।

Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত ভোট বন্ধের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের, রাজ্যে জরুরি অবস্থা জারির আবেদন
কয়েক দফা শুনানির পর রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয় আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও সরকার। কিন্তু দেশের শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দেয় কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে তাঁরা কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় রাজ্য সরকারে।

Civic Volunteer : নিষেধ সত্ত্বেও সিভিক ভলান্টিয়ারদের ব্যবহার! হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা
সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খাওয়ার পর ২২ জেলার জন্য ২২ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী চেয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি দেয় কমিশন। এই সিদ্ধান্ত অসন্তোষ প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় ২০১৩ সালের তুলনায় বেশি সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। আদালতের নির্দেশের পর আরও ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠায় কমিশন। কিন্তু সেই নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ৮০০ কোম্পানির মধ্যে এই মুহূর্তে রাজ্যে এসে পৌঁছেছে ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী। বাকি বাহিনী কবে আসবে, আদৌ আসবে কি না, সেই নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বাকি ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী আসবে না ধরে নিয়েই তাঁরা পঞ্চায়েত ভোটের প্রস্তুতি শুরু করেছে। আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেটাই এখন দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *