দার্জিলিং
১. নয়ানর – বিজিপিএম
২. সোম সিংতাম – বিজিপিএম
৩. রঙ্গিত ২ – বিজিপিএম
৪. বাদামতাম – বিজিপিএম
৫. লেবং ভ্যালি ২ – বিজিপিএম
৬. দেবাইপানি – বিজিপিএম
৭. দার্জিলিং ২ – ত্রিশঙ্কু
৮. লেবং ভ্যালি ১ – ইউজিএ
৯. ব্লু ফিল্ড – নির্দল
১০. লোধমা ১ – নির্দল
কার্শিয়াং
১. সিতং ২ – বিজিপিএম
২. সিতং ৩ – বিজিপিএম
৩. সিতং ১- বিজিপিএম
৪. মেন্ট মেরিস ২ – বিজিপিএম
৫. সুকনা – বিজিপিএম
৬. মহানদী -বিজিপিএম
মিরিক
১. সৌরেনি – বিজিপিএম
কালিম্পং
১. ভালুখোপ – বিজিপিএম
২. সমথার – বিজিপিএম
৩. কালিম্পং – বিজিপিএম
৪. ইয়াংমাকুম – বিজিপিএম
৫. থাসিডিং – বিজেপি
৬. তিস্তা – ত্রিশঙ্কু
৭. রংগো – নির্দল
৮. কুমাই – নির্দল
৯. বং – বিজিপিএম
১০. লিংশেখা – বিজিপিএম
১১. গিতডাবলিন – বিজিপিএম
প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত নির্বাচনে পাহাড়ে অল্প সংখ্যক কিছু আসনে প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। এর আগে দার্জিলিং পুরসভা এবং জিটিএ নির্বাচনেও সব আসনে প্রার্থী দেয়নি রাজ্যের শাসকদল। ওই দুই নির্বাচনের ফলপ্রকাশ ও বোর্ড গঠনের পর অনীত থাপার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার সঙ্গে তৃণমূলের আসন সমঝোতার বিষয়টি সামনে এসেছিল। সেই জায়গা থেকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ মনে করেন, পাহাড়ে এখনও পর্যন্ত সংগঠন সেভাবে মজবুত না থাকায় পঞ্চায়েত নির্বাচনেও অনীত থাপার দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা করেই লড়েছে তৃণমূল। এই প্রসঙ্গে দার্জিলিং জেলা তৃণমূলের (পার্বত্য) সভানেত্রী শান্তা ছেত্রী আগেই জানিয়ছিলেন, রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশমতো ভোটে পাঁচ থেকে ছয় শতাংশ আসনে প্রার্থী দেওয়া হচ্ছে। সেই মতোই হাতে গোনা কিছু আসনে প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল।
