নন্দীগ্রামে আহত তৃণমূলকর্মীদের দেখতে এসএসকেএমে অভিষেক Abhishek Banerjee in SSKM hospital at Kolkata


মৈত্রেয়ী ভট্টাচার্য ও কিরণ মান্না: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের শিকার! নন্দীগ্রামে আহত তৃণমূলকর্মীদের দেখতে এসএসকেএমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ট্রমা কেয়ার ইউনিটে ১৪ জন, আর উডবার্ন ব্লকে ভর্তি রয়েছেন ১ জন।

আরও পড়ুন: Primary Teacher Recruitment Scam: ‘প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির কিং পিন কে’? ইডি-র কাছে জানতে চাইল হাইকোর্ট

নন্দীগ্রামে ‘আক্রান্ত’ তৃণমূল। খবর পেয়েই তৎপর দলীয় নেতৃত্ব। এদিন বয়াল, বিরুলিয়া-সহ নন্দীগ্রাম ১ ও ২ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের খোঁজখবর নেন মন্ত্রী শশী পাঁজা। সঙ্গে ছিলেন কুণাল ঘোষ ও সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র।

কুণাল ঘোষ বলেন, ‘গুন্ডাদের দিয়ে তৃণমূলকর্মীদের উপর হামলা করেছে। কয়েকজন গুরুতর জখম। প্রার্থী ঘরছাড়া, কাউন্টিং এজেন্ট ঘরছাড়া। তাদের ঘরে ফেরাতে মন্ত্রী শশী পাঁজা, সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র, আমরা সবাই এসেছি’। তাঁর অভিযোগ, ‘বারবার অভিযোগ করা সত্ত্বেও পুলিসের একাংশ নিষ্ক্রিয় ছিল। সাধারণ মানুষ যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন হামলার, সেই গুন্ডাদের গ্রেফতার  করতে হবে। পুলিস ও সরকারি কর্মীদের একাংশ তাঁদে পুরনো আনুগত্য দেখিয়ে যাঁরা হামলা করছে, বোমা মারছে, গ্রামের মা-বোনের আতঙ্কিত, তাঁদের গ্রেফতার করেনি। যাতে সেই গ্রেফতারগুলি হয়, যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, সেইজন্য পুলিসের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি’।

নন্দীগ্রামে আহত তৃণমূলকর্মী এখন ভর্তি এসএসকেএম। শুধু তাই নয়, উডবার্ন ব্লকের চিকিৎসা চলছে তৃণমূলের তমলুক টাউন সভাপতি চঞ্চল খাঁড়ারও। হাসপাতালে সূত্রে খবর, তাঁর মাথায় বেশ কয়েকটি সেলাই পড়েছে। চোখে রক্ত জমা বেঁধে গিয়েছে। দেখতে পাচ্ছেন না! দলের কর্মীদের দেখতেই এদিন এসএসকেএম যান অভিষেক।

আরও পড়ুন: Chandrayaan-3 | Kolkata Police: ‘চাঁদেই যদি যেতে হয়…’! কলকাতা পুলিসের রসবোধে মুগ্ধ নেটপাড়া

পঞ্চায়েত ভোটে এবার নন্দীগ্রামে ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল।  শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী কেন্দ্রে ১৭ পঞ্চায়েতের মধ্যে ১০টিতে জিতেছে বিজেপি। শাসকদলের ঝুলিতে ৭।

(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App) 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *