সোমবার তারা দুপুর ১২ টা নাগাদ জয়পুর থেকে যাত্রা শুরু করে এবং আরামবাগ শহরে এসে পৌঁছন। আরামবাগ শহর তৃণমূল কংগ্রেসের ট্রেড ইউনিয়ন সভাপতি সফিকুল আলমের নেতৃত্বে তাঁদের স্বাগত জানানো হয়। তাঁদের যাত্রাপথের সফলতা কামনা করা হয়।
পাশাপাশি পাঁচজন যুবককে রাতে থাকার ব্যবস্থা করা হয় তৃণমূল সংগঠনের তরফে। কিন্তু কেন পায়ে হেঁটে তারা জয়পুর থেকে কলকাতার উদ্দেশ্য ১৬০ কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিচ্ছে? এই বিষয়ে এক যুবক বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে শহীদ স্মরণে পায়ে হেঁটে কলকাতার উদ্দেশ্য জয়পুর থেকে যাত্রা শুরু করি। আমরা এই সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য পায়ে হেঁটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
অপরদিকে, আরামবাগ শহর তৃনমুল কংগ্রেসের ট্রেড ইউনিয়ন সভাপতি সফিকুল আলম বলেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেসের শহীদ তর্পনের জন্য এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা শোনার জন্য ওরা পায়ে হেঁটে কলকাতার উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছে।
এদিন তাঁদের আরামবাগ পার্টি অফিসে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হচ্ছে। সকাল থেকে আবার হাঁটা শুরু হবে। সব মিলিয়ে এই সাতজন যুবকের পায়ে হেঁটে তৃণমূলের শহীদ স্মরণ কর্মসূচিতে সামিল হওয়ার বিষয়টিকে অভিনব বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল।
আগামী শুক্রবার, ২১ জুলাই চলতি বছর শ্রদ্ধা দিবস হিসাবে পালন করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর এই মঞ্চকে বিজয় উৎসবের মঞ্চ হিসাবে ব্যাবহার করা হবে না। সেই মর্মে জেলা কমিটি গুলোর কাছে বার্তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এদিনের মঞ্চ থেকে আগামী লোকসভা নির্বাচনের জন্য দলীয় কর্মীদের নির্দিষ্ট বার্তা দিতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিকেই তাকিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব থেকে কর্মী, সমর্থকরা।
