পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, বছর পাঁচেক আগে ভালোবাসা করে বিয়ে করে ছালিমা ও বাবুরালী। বিয়ের পর থেকেই পণের টাকা পয়সার জন্য ছালিমাকে মারধর করতো বাবুরালি বলে অভিযোগ। নগদ টাকা, মোটর ভ্যান সহ বহু দাবি পূরণ করলেও কোনওভাবেই অত্যাচার কমেনি ছালিমার উপর। অবশেষে সাংসারিক বিবাদের জেরেই স্ত্রীকে গুলি করে খুন করে স্বামী। মাথার পিছনে গুলি করে হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ছেলিমার।
ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই দাবি করেছেন দম্পতির অশান্তির ব্যাপারে। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার স্ত্রীকে গুলি করে মেরে ফেলবেন এটা ভাবতে পারছেন না কেউই। গোটা ঘটনা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। তবে ওই ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র পেলেন কোথা থেকে সে বিষয়েও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিষয়টির পিছনে আরও অন্য কোনও ঘটনা রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পারিবারিক অশান্তির জেরে হত্যার ঘটনার উদাহরণ উঠে আসে একাধিক জেলা থেকে। যতদিন যাচ্ছে পারিবারিক হিংসার ঘটনা বেড়ে চলেছে। অর্থলোভ, প্রতিহিংসাপরায়ণতা, বিদ্বেষ থেকেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে চলেছে বলেই মনে করছেন মনস্তাত্ত্বিকবিদরা।
প্রসঙ্গত, গত মে মাসেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় স্ত্রীকে খুন করার অভিযোগ ওঠে তাঁর স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যের বিরুদ্ধে। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত স্বামীকে। শবনম পারভীন (২০) নামে এক গৃহবধূকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।
দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর ব্লকের সুকদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দেবীপুরে এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ওই মহিলার বাপের বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারে বলে জানা যায়। ঘটনার কয়েক মাস আগে দেখাশোনা করেই বিয়ে হয় ওই গৃহবধূর। এদিকে স্ত্রীকে খুন করার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় গঙ্গারামপুর থানায়।
