১৯৯৩ সালের এই দিনটিতেই ‘নো আইডেন্টিটি নো ইলেকশন’ এই দাবিতে হাওড়া থেকে মহাকরণ অভিযান করেছিলেন তৎকালীন যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী তথা বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারে তখন রয়েছে বামফ্রন্ট। মহাকরণ অভিযানে ডাক দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
হাওড়া ব্রিজ থেকে মহাকরণের দিকে মিছিল কিছুটা এগোতেই পুলিশ আটকে দেয়। রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে কলকাতার রাজপথ। সংঘর্ষ পুলিশের গুলি মৃত্যু হয় ১৩ জনের। ২০১১ সালে বামফ্রন্ট সরকারের পতন ঘটিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল সরকার।
ক্ষমতায় আসার পরেই ২১শে জুলাই দিনটিকে শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে আসছে তৃণমূল। আজ সেই শহীদ দিবসে কলকাতার ধর্মতলায় উদ্দেশ্যে ট্রেনে ও বাসে করে রওনা দেন বহু তৃণমূল কর্মী সমর্থক। তাদের মধ্যে একজন হুগলি চুঁচুড়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জয়দেব মণ্ডল।
বেসরকারি কোম্পানিতে কাজ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত। তাই তৃণমূল কংগ্রেসকে ভালোবেসে প্রতিবছর মুখে জোড়া ফুল, বুকে দিদি জিন্দাবাদ, লিখে শহিদ সমাবেশে যোগ দেন জয়দেব।
তিনি বলেন, ‘দিদির প্রতি ভালোবাসা এবং দলের প্রতি আনুগত্য দেখিয়েই প্রতিবছরই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নিজেকে রাঙিয়ে তুলি। কারণ সেদিনের ১৩ জনের মধ্যে চুঁচুড়ার একজন রয়েছেন। এছাড়া দিদি যে সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন তাতে তাঁর প্রতি ভালোবাসা আরও বেড়ে গিয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে তিনি কি বার্তা দেন সেই শুনতেই এই জনসভায় যোগ দিচ্ছি।’
জয়দেব আরও বলেন, ‘দিদি নিজের ছাত্রজীবনের শুরু থেকে যে লড়াইটা লড়ছেন, সেটাকে কুর্নিশ জানাই। আর সেই কারণেই উনি এতদূর এগোতে পেরেছেন, বামেদের সঙ্গে লড়ে উঠতে পেরেছেন। এখন সারা দেশ দিদির দিকে তাকিয়ে। আগামী বছরগুলিতে দিদিই দেশকে পথ দেখাবেন। ২০১১ সালে যেমন বাম শাসনের অবসান ঘটিয়েছিলেন, ঠিক তেমনি ২০২৪ সালেও কেন্দ্র থেকে মোদী সরকারকে তিনিই সরাবেন। এটাই বিশ্বাস করে যাচ্ছি আজ।’
