বিজেপির তফসিলি সাংসদদের এই দলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মনোজ রাজরী, এস মুনিস্বামী। এ দিন কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে তাঁরা বলেন, ‘পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে রাজ্যে তফসিলি সম্প্রদায়ের ২৮ জন মানুষ খুন হয়েছেন। বিজেপির যে ১০ জন মারা গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৮জন তফসিলি।’ মনোজের অভিযোগ, ‘বাংলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। পুলিশ রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করছে।’
কথায় কথায় রাজ্যে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠানোকে ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ থেকে কটাক্ষ করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার তৃণমূল নেতানেত্রীরা সেই সুরেই কটাক্ষ করেছেন বিজেপির ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম’-এর রাজনীতিকে। তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, ‘বিজেপি বাংলায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম না পাঠিয়ে বরং মণিপুরে পাঠাক।
ওখানে পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর।’ জোড়াফুল শিবিরের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনের কটাক্ষ, ‘বিগত কয়েক বছরে বাংলায় ১৯০-১৯৫ টা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম এসেছে। বাংলায় বিজেপির এতজন সাংসদ আছেন। তাঁদের উপর ভরসা না করে কেন অন্য রাজ্য থেকে সাংসদদের পাঠানো হচ্ছে? এ রাজ্যের নেতাদের উপর দিল্লি-বিজেপির ভরসা নেই?’ তাঁর আরও প্রশ্ন – ‘মণিপুর, উত্তরপ্রদেশে যখন দলিত এবং মহিলাদের উপর অত্যাচার হয়, তখন কেন বিজেপি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠায় না?’
