Suvendu Adhikari : জনগণের টাকায় ১৫০ কোটির কেলেঙ্কারি, I-PAC-কে সুবিধে! বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর – bjp leader suvendu adhikari alleged huge corruption on giving tender of chief minister grievance cell


বিধানসভায় সাংবাদিক বৈঠক করে দুর্নীতি ইস্যুতে ফের রাজ্য সরকারকে নিশানা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সম্প্রতি ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নামে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর গ্রিভান্স সেলকে নিশানা করে শুভেন্দুর অভিযোগ, নিয়ম বহির্ভূতভাবে একটি সংস্থাকে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ শুভেন্দুর।

Suvendu Adhikari : ‘আরও এক দুর্নীতি ফাঁস করব…’, বিধানসভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু
শুভেন্দু বলেন, ‘গ্রিভান্স সেলের পরিকাঠামো তৈরির জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কয়েকটি সংস্থা টেন্ডার প্রক্রিয়া অংশগ্রহণ করে। দিল্লির একটি সংস্থায় নিয়মমাফিক টেন্ডার পায়। কিন্তু পছন্দের সংস্থা না হওয়ায় স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে টেন্ডার বাতিল করতে বলা হয়। কিন্তু তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের আধিকারিকরা তা করতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু পরবর্তী সময় স্বরাষ্ট দফতর WBTL-কে দায়িত্ব দেয়। তার মাধ্যমে আইপ্যাক ঘনিষ্ঠ সংস্থা দায়িত্ব পায়। আমার ধারণা এই ঘটনা সঙ্গে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী যুক্ত।’

Suvendu Adhikari : ‘কোমরে জোর থাকলে উত্তরপ্রদেশ পার হোক’, অভিষেককে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর
শুভেন্দু নিশানায় ছিল I-PAC নামে একটি বেসরকারি সংস্থা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে তৃণমূলের প্রচারের দায়িত্ব ছিল IPAC-এরই কাঁধে। তখন এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। আইপ্যাককে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, ‘এই সংস্থা শুধু মিথ্যা কথা বলে এবং অপপ্রচার করে। জনগণের ১৫০ কোটি টাকা আইপ্যাককে পাইয়ে দেওয়া হল। যাতে আগামী লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে এই সংস্থা তৃণমূলের হয়ে মানুষকে টুপি পরাতে পারে। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে পিসি-ভাইপোর বৈতরণী পার করাতে পারে। এটা প্রমাণিত চুরি। আমরা কাছে সব নথি রয়েছে।’

আরও এক বিস্ফোরক দাবি করেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘আমাকে এই নথি বড়বড় আইএএস অফিসাররা দিয়েছেন। সরকারে সবাই অসৎ এমনটা নয়। ১৫০ কোটি টাকা দিয়ে ওই সংস্থা ইতিমধ্যে ৩৫০ জনকে নিয়োগ করেছে। এরা শুধু সরকারের কাজ করে না, তৃণমূলের কে পঞ্চায়েতে লড়বে সেই প্রার্থীও ঠিক করেছে। প্রধান-জেলা সভাপতিও বেছে নেবে আইপ্যাকের ছোকড়ারা। তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের কোনও মূল্য নেই। আমরা-আপনার ট্যাক্সের টাকা থেকে তাঁদের বেতন দিতে হবে। এই টাকা থেকে তৃণমূলও কাটমানি নিয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।’

Suvendu Adhikari : ‘UCC নিয়ে আগুন লাগানোর চেষ্টা হচ্ছে’, সিদ্দিকুল্লাহকে নিশানা শুভেন্দুর
এই ‘দুর্নীতি’-র বিরুদ্ধে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘রাজ্যপাল দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান। উনি আজ মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে কথা বলেছেন বলে শুনলাম। আশা করব রাজ্যপাল আমার অভিযোগ পেয়েছেন। আপনার কাছে অনুরোধ মুখ্যসচিবকে বলে যাবতীয় নথি আনান। নথি খতিয়ে দেখে যদি কোনও সত্যতা পান, তবে সরকারকে ইডিকে দিয়ে তদন্ত করার অনুরোধ করুন। এটা জনস্বার্থের বিষয়। দরকার হলে কয়েকদিন বাদে আইনত ব্যবস্থা নেব।’

যদিও শুভেন্দুর যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, ‘গোটাটাই ভিত্তিহীন অভিযোগ। মানুষের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ বাড়াতেই এটা করা হয়েছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *