Malda News: কলমের খোঁচায় ওষুধের দাম বেড়ে তিনগুণ! ‘বিশিষ্ট ডাক্তারবাবু’-র কীর্তি ফাঁস – one quack doctor from malda allegedly taking extra charge for medicine


একটা কালির কামাল! ওষুধের ৯২ টাকা দাম লাফ দিয়ে হয়ে যাচ্ছে ১৯২ টাকা, ৮৫ টাকার চোখের ড্রপ হচ্ছে ১৮৫ টাকা! হাতুড়ে ডাক্তারের এই কাণ্ড দেখে রীতিমতো হতবার গ্রামের মানুষ। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত পিপলায়। স্থানীয় হাতুড়ে ডাক্তার বাবলু চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগগুলিকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে?
গ্রামে এখনও বড় ভরসার জায়গা হাতুড়ে ডাক্তাররা। হরিশচন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত পিপলা গ্রামে বাবলু চক্রবর্তী হাতুড়ে ডাক্তার হিসেবে পরিচিত। এই মুহূর্তে হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় জয় বাংলা (চোখের সমস্যা, কনজাংটিভাইটিস)-র সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। চোখের সমস্যা নিয়েই বিভিন্ন গ্রামের মানুষ হাজির হচ্ছেন বাবলু ডাক্তারের কাছে।

Siliguri News : জালনোটের ব্যবসার পর ভুয়ো চিকিৎসা! বাড়িতে বাড়িওয়ালার টিউমার অপারেশন করে শ্রীঘরে ব্যক্তি
সেই সুযোগেই এই চিকিৎসক প্রতারণার নয়া ফাঁদ পেতেছিলেন বলে অভিযোগ। যে সমস্ত রোগী তাঁর কাছে আসছেন তাঁদের প্রয়োজনীয় ওষুধ নিজেই দিয়ে থাকেন এই হাতুড়ে চিকিৎসক। তাঁর কাছেই কিনতে হয় ওষুধ। অভিযোগ এই সুযোগ নিয়ে ওষুধের নির্ধারিত মূল্য পালটে দিচ্ছেন তিনি

শুভান আলি নামক এক ব্যক্তি এই প্রসঙ্গে অভিযোগ এনেছেন। তাঁর দাবি, মার্কার পেন দিয়ে ওষুধের MRP বদলে দিচ্ছেন ওই চিকিৎসক। ২০০ টাকা ওষুধের বিল হলে বিল হলে তিনি নিচ্ছেন ৬০০। বাংরুয়া গ্রামের রতন সিং নামক এক রোগীরও বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হয়। তিনি বাইরে এসে ওষুধের দাম মিলিয়ে দেখেন এবং বুঝতে পারেন প্রতারণা করছেন ওই চিকিৎসক। এরপরেই তিনি অন্যান্য রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় ওই চিকিৎসকের নামে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন রতন সিংহ।

Trending Story In West Bengal: তমলুকের অসুস্থ মানুষদের একমাত্র ভরসা নবতিপর ‘হাওড়ার মাসি’
এদিকে যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠছে তিনি কী বলছেন?
ওই হাতুড়ে চিকিৎসক বাবলু চক্রবর্তী বলেন, “আমার ভুল হয়েছে। ভুলটা স্বীকার করছি। কোনওভাবে হয়তো ভুল হয়েছে। আজ পর্যন্ত কোনও রোগী আমাকে বলেননি আমি বেশি টাকা নিয়েছি। আমার সংসার রয়েছে। তাই এক রোগীর থেকে ১৫০ টাকা বেশি নিয়েছিলাম ওষুধের দাম।”

এদিকে বাবলু ডাক্তারের উপর সাধারণ মানুষ একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। আদৌ তাঁর কোনও চিকিৎসকের ডিগ্রি রয়েছে? কতদিন ধরে প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে তিনি এভাবে বেশি দাম নিচ্ছিলেন ওষুধের? এই নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে স্বাস্থ্য দফতরের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন অনেকেই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *