অভিযোগ সেখানে দোকান মালিকের সঙ্গে পারিবারিক বিবাদের বিষয়ে কথা বলতে বলতে হিমাংশু দেবের সঙ্গে থাকা রবি দে নামের একজন ছেলে দোকানের মালিক স্বপন কুমার শীলকে মারধর শুরু করে। তারপর দোকানের শোকেসের কাচে লাথি মারে, খুলে যায় শোকেসের কাচ। এর পরেই স্বপন কুমার শীল পানিহাটি রাজ্য সাধারণ হাসপাতালে নিজের চিকিৎসা করান এবং ঘোলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। জানা গিয়েছে, স্বপন কুমার শীলের দীর্ঘদিনের পারিবারিক সমস্যা চলছে। আর তার বিচার করতে এসেই হিমাংশু দেব ও তাঁর দলবল স্বপন কুমার শীল কে মারধর করে।
গোটা ঘটনায় ওই ওষুধ ব্যবসায়ী ও পরিবার আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে, আতঙ্কে দোকানও খুলতে পারছেন না তিনি এমনটাই জানিয়েছেন। স্বপন কুমার শীল থাকেন ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে কিন্তু ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিমাংশু দেবের অনুগামীরা মারধর করে। অন্য ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এসে কী ভাবে আর এক ওয়ার্ডে ক্ষমতার জোর দেখিয়ে এই আক্রমণ করে?
এই প্রশ্নই তুলছেন আক্রান্তের পরিবার। আক্রান্তের স্ত্রী রূপালি শীল অভিযোগ করে বলেন, ‘এখন আমার স্বামী BJP করেন, আগে তৃণমূল করতেন। আর সেই ক্ষোভের ফলেই হয়ত তাঁরা এই আক্রমণ করেছে। আমরা রীতিমতো আতঙ্কে আছি। এর বিচার চাইছি’। আক্রান্ত স্বপন কুমার শীল বলেন, ‘আমার পারিবারিক সমস্যার মধ্যে মাথা গলাচ্ছে ওই কাউন্সিলর। আমি অনেকবার বলেছি বাইরের লোকের দরকার নেই। আমাদের পারিবারিক বিষয় আমরাই মিটিয়ে নেব। কিন্তু ওই কাউন্সিলর কিছুই শুনতে রাজি নয়’।
কাউন্সিলর ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে ঘোলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর তদন্ত নেমেছে ঘোলা থানার পুলিশ। যদিও এই বিষয়ে অভিযুক্ত কাউন্সিলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি এই মুহূর্তে এলাকায় নেই, এলাকার বাইরে রয়েছি। তাই কিছু বলতে পারছি না’।