Nussrat Jahan Case: ‘লোন নিয়ে মিথ্যে বলছেন! অবিলম্বে গ্রেফতার করা হোক নুসরতকে’, পালটা দাবি শঙ্কুদেবের – bjp leader sankudeb panda attack tmc mp nussrat jahan over flat fraud case


TMC সাংসদ অভিনেত্রী নুসরত জাহানের সাংবাদিক সম্মেলন শেষ হতে না হতেই পালটা সম্মেলন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পন্ডার। এই বিজেপি নেতাই প্রতারিত ফ্ল্যাট ক্রেতাদের সঙ্গে নিয়ে ইডি-তে গিয়ে বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এদিন নুসরতের পালটা সাংবাদিক সম্মেলন করেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। তাঁর দাবি, ‘সম্পূর্ণ মিথ্যে বলছেন তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান। সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি প্রমাণ করলেন এই দুর্নীতির তিনিই মাস্টার মাইন্ড।’

Nussrat Jahan: ‘যা বলা হচ্ছে তা হাফ মেড স্টোরি’, ফ্ল্যাট দুর্নীতি মামলায় নাম জড়ানোয় মুখ খুললেন নুসরত
নুসরত জাহানের আদালতে জমা দেওয়া ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট তুলে ধরে বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পন্ডা দাবি করেন, ‘দফায় দফায় কোম্পানি থেকে টাকা তুলেছেন নুসরত। এমনকী যে লোন অ্যামাউন্টের কথা তিনি বলছেন তার থেকে অনেক বেশি টাকা তুলেছেন তিনি। যে কোম্পানির ডিরেক্টর তিনি সেখান থেকে কীভাবে লোন নিলেন? আসলে ফ্ল্যাট বানানোর নাম করে টাকা তোলেন তিনি। প্রতারণার সব টাকা সাইফন হয়েছে। সেই টাকাতেই ফ্ল্যাট কিনেছেন নুসরত। ফ্ল্যাটের দলিলে কবে, কত টাকা নিয়েছেন, তা জানিয়েছেন সাংসদ অভিনেত্রী। তাতেই রয়েছে প্রমাণ।’ চেক নম্বর উল্লেখ করে অভিযোগ বিজেপি নেতার।
Nussrat Jahan: নুসরতের বিরুদ্ধে ২৪ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ! ইডি-কে নথি যোগালেন শঙ্কুদেব, মুখে কুলুপ অভিনেত্রীর

শঙ্কু দেব পণ্ডার অভিযোগ, ‘মেসার্স সেভেন সেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেড-এর নামে ২০১৪ সালে যখন টাকা তোলা হয়েছিল, তখন সেখানকার ডিরেক্টর পদে ছিলেন নুসরত জাহান। যে মুহূর্তে আমানতকারী-ক্রেতারা টাকা চাইতে শুরু করলেন সেই সময়ই পদত্যাগ করলেন নুসরত। এটা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত। উনি বলছেন এরপর কোম্পানিতে কী হয়েছে উনি জানেন না। তা বললে কী করে হবে, তা আমরা শুনতে চাই না। জনপ্রতিনিধি হিসেবেও উনি দায় এড়াতে পারেন না। এই প্রবীণ অসহায় মানুষেরা কবে টাকা ফেরত পাবে তা জানাতে হবে। জনপ্রতিনিধি হয়ে এমন কাজ করেছেন কেন! সাংসদকে অবিলম্বে গ্রেফতার করা হোক। নিজেই বলছেন ২০১৭ পর্যন্ত সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন, অথচ এদিকে বলছেন কী হয়েছে জানেন না! কেন একটা কোম্পানি ২৪-২৫ কোটি টাকা তুলল, তা তার ডিরেক্টর জানেন না! কী করে সম্ভব!’ এখানেই শেষ নয়, কোম্পানির ব্যাপারে তদন্ত করারও দাবি তুলেছে বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা।

উল্লেখ্য, মেসার্স সেভেন সেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেড নামে এক কোম্পানি ফ্ল্যাট করে দেওয়ার নামে ৮০০-এর বেশি প্রবীণের থেকে ৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকা তোলে। ২০১৪ সালে টাকা তোলা হলে আজও ফ্ল্যাট পায়নি কোনও গ্রাহক। ওই সংস্থার ডিরেক্টর পদে ছিলেন নুসরত জাহান। তাঁর বিরুদ্ধে ইডিতে অভিযোগ করেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *