ফলের রাজা যাবেন মুম্বই, মরশুমের শেষলগ্নে মালদার ৩৫০ কুইন্টাল আমের ভবিষ্যৎ জানেন?


শেষ লগ্নে বাজিমাত! মালদার ফলে রাজা পাড়ি দেবে মুম্বাইয়ে। প্রায় ৩৫০ কুইন্টাল আম পাড়ি দিল ভিন রাজ্যে। অগাস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহেই এই আম পাড়ি দিচ্ছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে। তোড়জোড় শুরু করেছে ব্যবসায়ীরা।

Fish Market In West Bengal : বাজারে ৪৮ কেজির কাতলা মাছ! কত টাকায় বিক্রি হল জানেন?
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরাতন মালদার রায়পুর বাগান এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণে আম রপ্তানি করা হবে। তার আগে সেগুলির প্রস্তুতকরণ চলছে। মূলত, আঁচার তৈরির জন্য আশ্বিনা জাতের আম পাঠানো হবে বাণিজ্য শহরে। তার আগে সেগুলিকে কেটে নুন মাখিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে।
আমগুলিকে কেটে প্রস্তুত করে প্যাকিং করা হবে। এই কাজের জন্য তোড়জোড় শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। এমনকি স্থানীয় অনেক মহিলারাও কাজে নেমে পড়েছেন। প্রতিদিন বড় সাইজের আশ্বিনা জাতের আম প্রস্তুত করা হচ্ছে রপ্তানির জন্য। বাগান সংলগ্ন এলাকায় অস্থায়ী তাঁবু তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই চলছে প্রস্তুতির কাজ।

Handicrafts of West Bengal : গ্রামীণ কর্মসংস্থানে জোর, উত্তরবঙ্গের প্রথম হস্তশিল্প হাব হচ্ছে মালদায়
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আম চাষিদের কাছ থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে আম কিনছেন। এরপর সেগুলিকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। যদিও এই ধরনের আম রপ্তানি করে খুব বেশি লাভবান হচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এমনকি কাঁচা আম বেচে চাষিরাও খুব বেশি লাভবান হচ্ছেন না। তবে ভালো বায়না থাকায় প্রায় ৩৫০ কুইন্টাল আম পাঠানো হবে মুম্বাইয়ের উদ্দেশে।

Malda News : বৃষ্টির অভাবে মাটি ফেটে চৌচির, হা হুতাশ মালদার কৃষকদের
বাগান সংলগ্ন তাঁবুতে কাজে নিযুক্ত হয়েছেন স্থানীয় বেশ কিছু মহিলা কর্মী। আম কেটে নুন মাখিয়ে প্রস্তুত করার কাজে নিযুক্ত হয়েছেন তাঁরা। এক একজন কর্মীর দিনে প্রায় ২০০ টাকার কাছাকাছি আয় হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্মীরা। এতে আমের মরশুমের শেষে বেশ কিছু স্থানীয় কাজ পেয়ে খুশি। শেষ মুহূর্তে জোর কদমে চলছে, সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই আম রপ্তানি হওয়ার কথা।

Mango Price : সোনার লাগানো গাছে আড়াই লাখের আম!

বিপুল পরিমাণ আম প্রস্তুতিতে রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে বাজার এলাকায়। জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই চলতি মরশুমে আমের বাজারজাত করণের কাজ শুরু হয়েছিল। কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী জেলা গুলিতে এবার মালদা থেকে ভালো পরিমাণ আম বাজারজাত করা হয়েছে। ফলন হয়েছিল ভালো। ফলের আমের ভালো ব্যবসা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
প্রসঙ্গত, মালদার বিভিন্ন প্রজাতির আমগুলির মধ্যে সেরা আম হল হিমসাগর, লক্ষ্মণ ও ল্যাংড়া। এ বছর স্থানীয় উদ্যোগে আম অনলাইনে অর্ডার নেওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়েছিল। মালদা জেলা উদ্যানপালন দফতরের সহযোগিতা ছিল এই কর্মকাণ্ডে। মালদার এক দম্পতি ওয়েবসাইট তৈরি করে আম বিক্রির ব্যবস্থা করেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *