বিজেপি শাসিত রাজ্য মণিপুরে মহিলাদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে চুঁচুড়া পিপুল পাতি মোড় থেকে ঘড়ির মোর পর্যন্ত ধিক্কার মিছিল করে তৃণমূল। পরে ঘড়ির মোড়ে একটি প্রতিবাদ সভা করা হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নুসরত-ইস্যুতে মুখ খোলেন চন্দ্রিমা। একই সঙ্গে হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের চিটফান্ড যোগ নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চন্দ্রিমা বলেন, ‘পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে সন্ত্রাসের খোঁজ নিতে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম এসেছে রাজ্যে। কিন্তু তাঁরা তৃণমূলকর্মীদের মৃত্যুর ফ্যাক্ট খুঁজে দেখেননি, ১৮ জন তৃণমূলকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। নুসরতের ফ্যাক্ট যদি ফ্যাক্ট হয় তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে এত বছর পর অভিযোগ করার কী মানে আছে! আইন আইনের পথে চলবে, তাই আমি অভিযোগ নিয়ে কোনও মন্তব্য করছি না। কিন্তু নুসরতেরও আত্মপক্ষ সমর্থন করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।’
বিধাননগর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর তুলসী সিনহা রায়ের উদ্যোগে শুক্রবার সল্টলেক সিজিও কম্পলেক্সের ইডি দফতরে রোজভ্যালিকাণ্ডে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের যোগসাজোশ নিয়ে অভিযোহ জানানো হয়। বিজেপির অভিযোগ, নুসরতের পালটা তৃণমূলের তরফে এই অভিযোগ জানানো হয়েছে। এপ্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন চন্দ্রিমা। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ইডির কাছে সমাজকর্মীদের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে আমাদের একজন কাউন্সিলরও ছিলেন। এটা নুসরতের পালটা কোনও কিছু নয়। যদি কোথাও কিছু ঘটে থাকে, সেটা তো ঘটনা। এখানে পালটা কোনও অভিযোগের বিষয় নেই।’
রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন চন্দ্রিমা। তিনি বলেন, ‘বেশ কয়েক বছর আগে রাহুল গান্ধী যে কথা বলেছিলেন সুরাট আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে।সুপ্রিম কোর্ট তাতে স্থগিতাদেশ দিয়েছে, এটা স্বস্তির বিষয়। এ ধরনের অনেক কথাই অনেকে বলে থাকেন। কিন্তু মণিপুরে যে ঘটনা ঘটছে, তাঁর কারণ নিয়ে কেন কোনও কথা বলছে না কেন্দ্র।’
