প্রতিনিয়ত এই জিটি রোডে সবসময়ই গাড়ি যাতায়াত করে। তারই মধ্যে ক্লাস নিতে জিটি রোড পার হয়ে যাতায়াত করতে হয় তাঁদের। ২০১৭ সালে ক্লাস নিতে যাওয়ার সময় রাস্তা পারাপার করতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন পাপিয়া নন্দী নামের স্কুলেরই এক শিক্ষিকা। ওই দুর্ঘটনার পর তিনি এখনও স্কুলে আসেন, তবে এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন তিনি। ক্র্যাচ নিয়ে হাঁটতে হয় তাঁকে। আজও সেই বিভীষিকাময় দিনের স্মৃতি গেঁথে রয়েছে তাঁর মনে। এই বিষয়ে অভিভাবক অরবিন্দ দাঁ বলেন, ‘পড়ুয়াদের জিটি রোড পারাপার করতে হয় যাতায়াত করতে করতে।
ফলে অভিভাবকদেরও যেমন দুশ্চিন্তা থাকে তেমনি ছাত্রছাত্রীরাও দুশ্চিন্তায় থাকে। স্কুলের সময় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করলে ভালো হয়। এখানে ট্রাফিক পুলিশের খুব দরকার’। এই বিষয়ে স্কুলের শিক্ষিকা পাপিয়া নন্দী তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের কাছে আবেদন শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে ছাত্রী সকলেই নিরাপত্তার দিকে নজর দিক প্রশাসন।
মাঝে মধ্যে এক জন মহিলা পুলিশ কর্মী থাকতেন তবে তা স্থায়ী কোনদিনও হয়নি’। শিক্ষিকাদের আবেদন স্থায়ী ব্যবস্থা নিক প্রশাসন। এখনও প্রতিদিন নানাবিধ ক্লাস করার জন্য জিটি রোডের এপার ওপার করতে হয় ছাত্রী শিক্ষিকাদের।
এক শিক্ষিকা এই বিষয়ে বলেন, ‘দিনে বেশ কয়েকবার পারাপার করতে হয়। আর এই রাস্তাটি এমনই যে ২৪ ঘণ্টাই গাড়ি চলছে। সবসময় হাত দেখিয়ে রাস্তা পার হতে হয়। তাতেও যথেষ্ট ঝুঁকি থাকে। পাকাপাকিভাবে একটি ট্রাফিক গার্ড থাকলে খুব ভালো হবে। নাহলে এই ঝুঁকি সারাজীবন থেকে যাবে’।
