পুলিসের ভ্যান থেকে গঙ্গায় ঝাঁপ! একদিন পর দেহ মিলল সৈদাবাদের ঘাটে


সোমা মাইতি: গুরুতর অভিযোগ। পুলিসের ভ্যান থেকে গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যু বহরমপুরের এক যুবকের। প্রায় একদিন পর মৃতদেহ মিলল গঙ্গার ঘাটে। মৃতের বাবার দাবি, পুলিসের ভ্যান থেকে পালিয়ে গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়েছিল তার ছেলে। এনিয়ে পুলিসের কাছে গিয়েও কোনও সহায়তা মেলেনি। চাঞ্চল্যকর ওই অভিযোগ উঠল বহরমপুরে।

আরও পড়ুন-আইএসএফের সমর্থনে জিতে তৃণমূলে ভাঙড়ের নির্দল প্রার্থী, বললেন ওদের নীতি ভালো

ঘটনাটি শনিবার বিকেলের। স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে বহরমপুরের সৈদাবাদ নিয়াল্লিশপাড়া ঘটে বসে গেম খেলছিল অতনু ঘোষ নামে এক যুবক। তা সঙ্গে তার বন্ধু বান্ধবরাও ছিল। সেইসময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিল পুলিসের একটি প্যাট্রোলিং ভ্যান। পুলিস দেখে সে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। শেষপর্যন্ত সে গঙ্গায় ঝাঁপ দেয়। তবে অতনুর বাবার দাবি, পুলিস অতনুকে আটক করে। তাকে জোর করে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে। সেইসম  পুলিসের হাত ছাড়িয়ে সে গঙ্গায় ঝাঁপ দেয়।

এদিকে, ওই ঘটনায় হইচই পড়ে যায় এলাকায়। শুরু হয়ে যায় গঙ্গায় তল্লাশির কাজ। পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, তারা খবর পান পুলিসের হাত থেকে বাঁচার জন্য গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়েছে অতনু। খবর পেয়েই তারা থানায় যান। বিষয়টি বললেও থানার তরফে কোনও সাহায্য করা হয়নি। তারপরই নিজস্ব উদ্যোগে গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে তারা তল্লাশি চালান। শেষপর্যন্ত রবিবার সন্ধায় অতনুর মৃতদেহ মেলে নিয়াল্লিশপাড়া ঘাট থেকে। পরিবারের দাবি, পুলিস অতনুকে আটক করে। তাদের হেফাজত থেকেই গঙ্গায় ঝাঁপ দেয় অতনু। ঘটনার সঙ্গে জড়িত পুলিসকর্মীদের উপযুক্ত সাজা দিতে হবে।

অন্যদিকে, পুলিসের তরফে বলা হয়েছে, অতনু ঘোষকে আটক করা হয়নি। পুলিসের রুটিন অভিযান চলার সময়ে পুলিসের গাড়ি দেখেই সে দৌড়তে শুরু করে ও গঙ্গায় ঝাঁপ দেয়।

গোটা ঘটনা নিয়ে পুলিস মহলে প্রবল অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। কারণ কয়েদিন আগেই নবগ্রামে এক যুবকের মৃত্যু হয় পুলিসের লকআপে। তার পর এই ঘটনা। পুলিসের দাবি, ময়না তদন্তের পরেই জানা যাবে কীভাবে ওই মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হবে।

(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *