প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিক্রমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২২৩ নম্বর কল্ল্যাচা বুথে তৃণমূল প্রার্থী করে জনৈক প্রণবানন্দ সিংহমহাপাত্রকে। এলাকায় ‘বুবাই’ নামে সমধিক পরিচিত তৃণমূল কর্মী সোমনাথ সিংহমহাপাত্র দলের টিকিট না পেয়ে ‘নির্দল’ প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ও জয়ী হন। তার কাছে ১২৪ ভোটে পরাজিত হন তৃণমূল প্রার্থী প্রণবানন্দ সিংহমহাপাত্র। এমনকি ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায় ২২ আসনের বিক্রমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল ৯ টি, বিজেপি ৭ টি, নির্দল ৪ টি ও সিপিআইএম দু’টি আসনে জয়লাভ করে। এই অবস্থায় গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করতে শাসক দলের কাছে ‘নির্দল’দের সমর্থন অত্যন্ত জরুরি বলেই অনেকেই মনে করছেন।
ফের নিজের দলে যোগ দিয়ে পঞ্চায়েত সদস্য সোমনাথ সিংহ মহাপাত্র বলেন, ‘গ্রামের মানুষ চেয়েছিলেন আমিই প্রার্থী হই, কিন্তু দল সেই সিদ্ধান্ত মানেনি। পরে গ্রাম ষোলো আনার সিদ্ধান্তে নির্দল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। আর এখন সেই গ্রাম ষোলো আনার সম্মতিতেই ফের পুরনো দলে তিনি ফিরে এলেন।’ দলে যোগদানের পরে দাবি করেন সদ্য প্রাক্তন নির্দল প্রার্থীর।
ভোটে জীতলেও ‘নির্দল’ হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা কোন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীকে দলে নেওয়া হবে না, ভোট পূর্ববর্তী সময়ে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের এই হুঁশিয়ারীর পরেও সিমলাপালের এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই অবস্থায় সিমলাপাল ব্লক তৃণমূলের সভাপতি ফাল্গুনী সিংহবাবুও স্বীকার করে নেন নির্দল ওই পঞ্চায়েত সদস্য তাদের দলেরই কর্মী। তবে তাঁর সাফাই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেই তাঁকে ফের দলে নেওয়া হলো বলে তিনি দাবি করেন।
