Ropeway Darjeeling : পর্যটক টানতে নতুন সাজে দার্জিলিং রোপওয়ে, পরিকল্পনায় নবান্ন – according to nabanna plan darjeeling traditional ropeway will be upgraded through a public private joint venture


তাপস প্রামাণিক:
দার্জিলিংয়ে পর্যটক আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু প্যাসেঞ্জার রোপওয়েকে নতুন ভাবে গড়ে তুলবে রাজ্য সরকার। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ফের পুরোনো রুটে চালু হবে রোপওয়ে সার্ভিস। যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য বাড়বে সুরক্ষা ব্যবস্থা। নবান্নের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে দার্জিলিংয়ের ঐতিহ্যবাহী রোপওয়ের মানোন্নয়ন ঘটানো হবে।

Home Stay Darjeeling : পাহাড়ের হোম স্টে সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে চালু হচ্ছে অ্যাপ, পর্যটকদের মুশকিল আসান হবে সহজেই
দার্জিলিংয়ে যারা বেড়াতে তাদের অনেকেই পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে রোপওয়েতে ওঠেন। সেখান থেকে শৈল শহরকে খুব সুন্দর ভাবে চাক্ষুস করা যায়। শুধু বাইরের পর্যটকরাই নয়, যাতায়াতের জন্যও দার্জিলিংয়ের বাসিন্দারা এক সময় রোপওয়ে ব্যবহার করতেন। ১৯৬৮ সালে রাজ্য বনদপ্তরের উদ্যোগে দার্জিলিংয়ের চকবাজার থেকে সিংলাবাজারের মধ্যে প্রথম এই রোপওয়ে সার্ভিস চালু হয়। পরবর্তীকালে এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় ওয়েস্ট বেঙ্গল ফরেস্ট ডেভলপমেন্ট সার্ভিস-এর হাতে।

Darjeeling Weather : পাহাড়ে ট্যুরের প্ল্যান চলতি সপ্তাহে? আবহাওয়ার আপডেট শুনলে মন খারাপ হবে আপনারও
শুরুর দিকে এই রোপওয়ে চলতো সিঙ্গল ট্র্যাক জিগ ব্যাক সিস্টেমে। ১৯৯৫-‘৯৬ সালে পুরোনো সিস্টেম বদলে মনোমেবল গন্ডোলা সিস্টেম চালু হয়। এই রোপওয়ে পথের একদম তলার দিকে রয়েছে রাম্মাম নদী ও রাম্মাম উপত্যকা। ২০০৩ সালে দার্জিলিংয়ে রোপওয়ে ছিঁড়ে চার পর্যটকের মৃত্যু হলে প্রায় আটবছর সেই সার্ভিস বন্ধ ছিল। ২০১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি নতুন করে এই পরিষেবা চালু হয়। তাতে পুরোনো রুট কিছুটা কাটছাঁট করা হয়। আপাতত যে রুটে রোপওয়ে চলছে তার দূরত্ব মাত্র ২.৩ কিলোমিটার।

Darjeeling Toy Train : পর্যটকদের জন্য দুঃসংবাদ! এক মাসের জন্য বন্ধ থাকছে টয় ট্রেন
বনদপ্তরের কর্তারা জানাচ্ছেন, দার্জিলিংকে আরও পর্যটকবান্ধব করে তুলতে বন্ধ হয়ে যাওয়া পুরোনো রুটে আবার নতুন করে রোপওয়ে সার্ভিস চালু করা হবে। তার জন্য কোনও বেসরকারি এজেন্সিকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। বনদপ্তরের প্রস্তাব অনুযায়ী, দার্জিলিংয়ে যে পুরোনো রোপওয়ে রুট ছিল, সেটিকে আমূল সংষ্কার করা হবে। তৈরি হবে নতুন টার্মিনাল। মধ্যবর্তী স্টেশনের সংখ্যাও বাড়বে। যাত্রীদের জিনিসপত্র রাখার জন্য বানানো হবে ক্লক রুম। পর্যটকদের সুবিধার্থে গাড়ি পার্কিংয়েরও ব্যবস্থা থাকবে।

বনদপ্তরের এক আধিকারিকের কথায়, ‘রোপওয়ের আধুনিকীকরণের পাশাপাশি আমরা সবথেকে বেশি জোর দিচ্ছি যাত্রী নিরাপত্তার উপর। তার জন্য সিইএন স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলা হবে। দার্জিলিং যেহেতু ভূকম্প প্রবণ এলাকা সেই মতো সমস্ত সুরক্ষা বিধি মেনে পিলারগুলিকে বানানো হবে।’ তিনি জানান, রোপওয়ে দিয়ে যাওয়ার সময় মাঝপথে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে যাতে তাড়াতাড়ি যাত্রীদের নামিয়ে আনা যায় তার জন্য বিশেষ ধরনের ব্যবস্থা থাকবে। তার জন্য প্রশিক্ষিত কর্মীদের নিয়োগ করা হবে। থাকবে পাবলিক অ্যানাউন্স সিস্টেম। বিপদ সঙ্কেত পাঠানোর জন্য অ্যালার্ম সিস্টেমও থাকবে। পুরো যাত্রাপথকে সিসিটিভি দিয়ে মুড়ে দেওয়া হবে। দুর্ঘটনার কারণে কেউ হতাহত হলে তাঁদের জন্য বীমার ব্যবস্থা থাকবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *