Malda Ganga Erosion : নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে গঙ্গা, রেড অ্যালার্ট জারি মালদায় – due to heavy rains the ganga is flowing above the danger level red alert issued in malda


বৃষ্টির জেরে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে গঙ্গা। জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। ফুলাহার ও মহানন্দার জল বাড়ছে, গঙ্গার রাশে মানিকচক ব্লকের গোপালপুরের উত্তর হুকুমত টোলার, দক্ষিণ হুকুমত টোলার ইতিমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। গঙ্গার জল গ্রামে ঢুকে পড়েছে বাঁধের একাংশের ক্ষতি হয়েছে। গঙ্গার জল দেড় থেকে দু ফিট বাঁধের নিচে রয়েছে। গঙ্গার গর্ভে চলে গিয়েছে প্রায় প্রায় ৩০০ টি বাড়ি। পুরাতন বাঁধ ফেটে যাওয়ায় দুই বাঁধের মধ্যবিত্ত চার গ্রামের শতাধিক পরিবার বন্যায় প্লাবিত। ‌গোপালপুরের ভাঙন দুর্গত এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, ‘প্রতিবছরই আমাদের এই গঙ্গার ভাঙনে বাড়িঘর বসতভিটে বিলীন হয়ে যায়।

Malda News : ‘ওঁকে পেলে গঙ্গায় ডোবাব…’, ভাঙন বিধ্বস্ত এলাকায় গিয়ে BJP সাংসদকে আক্রমণ রতুয়ার বিধায়কের
রাজ্য সরকার কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে এই গঙ্গার ভাঙন রোধ করতে কোনও স্থায়ী সমাধান হয় না। প্রশাসন থেকে জনপ্রতিনিধিরা নির্বিকার। প্রায় এক মাস ধরে মানিকচকের গোপালপুরে ভাঙন চলছে। গঙ্গায় তলিয়ে যাচ্ছে বিঘার পর বিঘা কৃষি জমি ঘরবাড়ি তবু কারও দেখা নেই’। অন্যদিকে ভিটে মাটি হারিয়ে পরিবারগুলো নির্মাণ সামগ্রী আসবাবপত্র ট্রাক্টরে করে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছেন। এলাকার মানুষরা অভিযোগ করছেন, সুখা মরশুমে গঙ্গার ভাঙন রোধ করার বিষয় কোনও কাজ হয় না।

Ganga Erosion : গঙ্গার ভাঙনে পরপর বাড়িতে ফাটল, আতঙ্কে কাঁপছে বৈদ্যবাটিবাসী
বর্ষার মরশুমে সামান্য কিছু কাজ হয় যে কাজে বাঁধকে রক্ষা করা সম্ভব হয় না। রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের টানাপড়েনের ফলে কাজ হচ্ছে না যার দরুন এই ভাবেই গঙ্গা ভাঙন চলতে থাকলে এলাকার মানুষরা একদিন নিজেরাই গঙ্গায় ঝাঁপ দেবেন বলে জানিয়েছেন। গোপালপুর এলাকার বাসিন্দা তথা গঙ্গা ভাঙন অ্যাকশন কমিটির সদস্য রফিকুল আলম বলেন, ‘গোপালপুর এলাকার উত্তর হুকুমত তোলা ও দক্ষিণ হুকুমতলা এলাকায় প্রায় ৫০০০০ পরিবারের বসবাস।

Malda Ganga Erosion : গঙ্গা গিলে খেল অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প, ভাঙন ভয়ে ঘুম উড়েছে রতুয়াবাসীর
কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারের তরফ থেকে গঙ্গা ভাঙন প্রতিরোধে কাজ ঠিকঠাক হচ্ছে না। এখানকে এখনও কোনও কাজ হয়নি। তাই বাঁধের যতটুকু অংশ বেঁচে আছে সেই অংশটিতেই গ্রামবাসীরা গাছের ডালপালা দিয়ে জলে ফেলে নিজেদের রক্ষা করার চেষ্টা করছেন’। মানিকচক বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী গঙ্গা ভাঙনের বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে বহুবার চিঠি দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে টাকা দিচ্ছে না কারণ তাঁরা চাইছে পশ্চিমবঙ্গকে কিভাবে জব্দ করা যায়।

Murshidabad News : ভয়াল ভাঙন অব্যাহত সামশেরগঞ্জে, নদীগর্ভে তলিয়ে গেল বিস্তীর্ণ জমি
আজকে কেন্দ্রীয় সরকার সবকিছু বিক্রি করে দিচ্ছে কিন্তু গঙ্গা ভাঙন সমস্যাতে কিভাবে সমাধান করা যায় সেই বিষয়ে কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে না’। দক্ষিণ মালদা BJP-র সাধারণ সম্পাদক অম্লান ভাদুড়ি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার বহুবার রাজ্য সরকারকে বলে এসেছে তাঁরা যদি গঙ্গা ভাঙনের কাজ না করতে পারে তাহলে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে দিয়ে দিক।

JP Nadda West Bengal : ‘আজ পার্থ চট্টোপাধ্যায় কোথায়?’ দুর্নীতি নিয়ে মমতাকে নিশানা নাড্ডার
কিন্তু এই রাজ্য সরকার তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারকে সম্পূর্ণভাবে এই কাজটি করতে দিচ্ছে না। কেন্দ্রীয় সরকার এই গঙ্গা ভাঙন রোধ করার বিষয়ে যথেষ্ট সজাগ রয়েছে। তাঁরা চাইছেন নিম্নমানের কাজ যাতে না হয়ে সঠিকভাবে কাজ হোক এবং সেই ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার নিজেই এই কাজটি করতে চাইছে। কিন্তু এই রাজ্য সরকার করতে দিচ্ছে না’।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *