Burdwan Medical College : QR কোড দিয়ে টাকা আদায়! বর্ধমান মেডিক্যালে অভিনব প্রতারণা – burdwan medical college and hospital e ticket fraud case one arrested by police


রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে রোগী ও তাঁদের পরিবারের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কিন্তু রাজ্যের অন্যতম বড় সরকারি মেডিক্যাল কলেজে এবার অভিনব প্রতারণা। বর্ধমান মেডিকেলে ই-টিকিট জালিয়াতি করে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার এক প্রতারক। তাঁর কাছ থেকে ল্যাপটপ, স্ক্যানার, প্রিন্টারসহ বিভিন্ন সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তির নাম শেখ মিঠু।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের আউটডোরে ডাক্তার দেখানোর জন্য কিউ আর (QR) কোড স্ক্যানের মাধ্যমে ই-টিকিট পরিষেবা শুরু করা হয়েছে। ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে কোনও রোগী চিকিৎসক দেখাখে পারেন। ডাক্তার দেখানোর সময় কিউ আর কোড স্ক্যান করলে রোগীর সমস্ত বিবরণ পাওয়া যাবে।

Government Hospitals : কিউআর কোড স্ক্যানে হাসপাতালের টিকিট
কিন্তু সম্প্রতি বেশ কিছু রোগী দেখতে গিয়ে সমস্যার মধ্যে পড়ে হাসপাতালের চিকিৎসকরা। কিছু টিকিটে কিউ আর কোড স্ক্যান করে দেখা যায় রোগীর বিবরণের সঙ্গে কোন মিল পাওয়া যাচ্ছে না। প্রথমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভেবেছিল কোনও প্রযুক্তিগত সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু পরে বিষয়টি স্পষ্ট হয়। এরপরেই নড়েচড়ে বসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি জানানো হয় বর্ধমান থানায়।

Fake CBI Officer : ‘আমি CBI অফিসার, টিকিট লাগবে কেন?’, নৈহাটিতে RPF-এর জালে গুণধর
বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে সোমবার শেখ মিঠু নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। বর্ধমান হাসপাতালের সামনের একটি জেরক্সের দোকান থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পাশাপাশি সেই দোকান থেকে ল্যাপটপ, স্ক্যানার মেশিন সহ অন্যান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি ই-টিকিটের নাম করে নকল কিউআর কোড ব্যবহার করছিলেন। রোগীদের থেকে টাকার বিনিময়ে টিকিট দেওয়া হচ্ছিল।

Howrah Amritsar Mail : স্লিপার কোচে টিকিট পরীক্ষা করছে কে? TT-র পরিচয় ফাঁস হতেই হাওড়া-অমৃতসর মেলে হইচই
এ প্রসঙ্গে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে অনলাইন টিকিট কাটার সিস্টেম রয়েছে। অনেক রোগীই লাইনে না দাঁড়িয়ে অনলাইনে টিকিট কেটে নিয়ে আসেন। আমরা ই-প্রেসক্রিপশন চালু করেছি। একজন রোগীর টিকিট দেখা দেল ই-প্রেসক্রিপশন নিচ্ছে না। তখন আমরা গোটা বিষয়টি পুলিশকে জানাই। পুলিশ তখন তদন্ত করে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করেছে। প্রথম থেকে বোঝা গিয়েছিল যে এর পিছনে কোনও প্রতারণা চক্র কাজ করেছে। প্রশাসনের উপর আমাদের ভরসা রয়েছে। পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেই বিশ্বাস।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *