তবে এই বিষয়ে মন্ত্রী আরও জানান, পরীক্ষামূলকভাবে নিউটাউনে মাসিক বিল পাঠানোর ব্যবস্থা চালু হয়েছে। সেই সাফল্য দেখে তবে অন্য জায়গায় এই নিয়ম চালু করার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করা যেতে পারে বলে জানান মন্ত্রী। সেক্ষেত্রে ফের একবার সমীক্ষার প্রয়োজন আছে বলেও জানান অরূপ বিশ্বাস।
অন্যদিকে, রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি অফিস এবং সংস্থায় ৩৭ লক্ষ স্মার্ট মিটার বসানো হবে বলেও জানিয়েছেন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী। এই মিটার বসলে ঠিক মোবাইল ফোনের পোস্টপেড কানেকশনের মতো ব্যবস্থা চালু হবে বলে জানান তিনি। অর্থাৎ মাসে যত টাকা বিল হবে, তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মেটালেই অবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত হবে। সামগ্রিক বিষয়টি পরিচালিত হবে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি।
প্রসঙ্গত, সল্টলেক, রাজারহাট, গড়িয়া ও শ্রীরামপুর ডিভিশনের বেশকিছু জায়গায় ইতিমধ্যেই স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। তবে সাধারণ গ্রাহকদের একাংশ মনে করছেন, এই মিটার চালু হলে সমস্যায় পড়তে হবে তাঁদের। কারণ তাঁদের দাবি, এতে কোনও মিটার রিডিং দেখা যাবে না।
যদিও বিদ্যুৎ দফতরের কর্তারা জানাচ্ছেন, স্মার্ট মিটার চালু হলে গ্রাহকদের বেশ কিছু সুবিধা হবে। সেক্ষেত্রে কত ইউনিট বিদ্যুৎ প্রতিদিন পুড়ছে, বা কত বিল উঠছে, সেটা তাঁরা জানতে পারবেন। অবৈধভাবে কেউ কিছু করছে করলে, সেই বিষয়েও সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকের ফোনে মেসেজ যাবে। গোটা বিষয়টিই চলবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। এই মিটার অ্যাডভান্স টেকনোলজি দিয়ে তৈরি হবে বলে জানা যাচ্ছে। তবে প্রযুক্ত পরিবর্তন হলেও তার জন্য গ্রাহকদের কোনও সমস্যার মধ্যে পড়তে হবে না বলেই মনে করছেন বিদ্যুৎ দফতরের কর্তার।
