Book Fair : যুব সমাজকে বইমুখী করতে বিশেষ উদ্যোগ, বাঁকুড়া বঙ্গ বিদ্যালয়ে আয়োজন অভিনব ‘বই বাজার’-এর – book bazaar started at bankura banga vidyalaya under the initiative of calcutta publishers association


কলকাতা পাবলিশার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ‘বই পড়ো বই কেনো’ স্লোগানকে সামনে রেখে বাঁকুড়া বঙ্গ বিদ্যালয়ে বই মেলার আদলে অভিনব ‘বই বাজার’ শুরু হল। বাঁকুড়া চেম্বার অব কমার্সের সহযোগিতায় এই বই বাজার চলবে আগামী ৩রা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান প্রজন্ম বইয়ের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে মোবাইলের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। ফলে প্রতিটি গ্রন্থাগারেই পাঠক সংখ্যা কমছে। এই অবস্থায় বর্তমান যুব সমাজকে বইমুখী করতে প্রাথমিকভাবে রাজ্যের পাঁচটি জেলাকে ‘বই বাজারে’র জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে উত্তর ২৪ পরগণার নৈহাটিতে শেষ হয়েছে এই বই বাজার।

Terracotta Art Bankura : টেরাকোটা টাইলসে অপু-দুর্গা-গুপি-বাঘা, চমক দিচ্ছেন বাঁকুড়ার শিল্পীরা
এরপর পর্যায়ক্রমে বাঁকুড়া, নদিয়ার কৃষ্ণনগর, মুর্শিদাবাদের বহরমপুর ও সবশেষে উত্তর বঙ্গের মালদায় বই বাজার অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে বাঁকুড়া বই বাজারে শিশু সাহিত্য সংসদ, দেজ পাবলিশিং, ছায়া পাবলিকেশনের মতো প্রথম শ্রেণীর প্রকাশনী সংস্থার মতো ৪২ টি সংস্থা যোগ দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বাঁকুড়ার বই বাজারে উপস্থিত বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডঃ গৌতম বুদ্ধ সুরাল বলেন, ‘বইয়ের চেয়ে বড় সঙ্গী আর কেউ হয় না। সকলেই বই কিনুন। বই পড়ুন’। দুর্গাপুজোর আগে এই ধরণের বইয়ের মেলার যথেষ্ট প্রশংসনীয় বলেই তিনি জানান।

Bankura News : ডিঙি চেপে যাতায়াত, বাঁকুড়ায় নদীর চরে থাকা স্কুলে কমছে শিক্ষক-পড়ুয়ার সংখ্যা
বই বাজারে আসা মাত্রালীনা পতি নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘দুর্গাপুজোর আগে বাঁকুড়া শহরে বস্ত্র মেলা বা হস্তশিল্প মেলা দেখতেই আমরা অভ্যস্ত। কিন্তু বই বাজার নামে বইমেলা আয়োজনে বই প্রেমীদের কাছে যথেষ্ট আনন্দদায়ক খবর বলেই আমরা মনে করছি’। তিনি আরও বলেন, ‘আজকের এই দিনে আমাদের শহরে এই ধরনের এক অভূতপূর্ব প্রয়াস দেখে সত্যিই ভালো লাগছে। আজ এখানে এসে নানান ধরনের বইয়ের সমাহার দেখতে পেলাম’। এক আয়োজক এই বিষয়ে বলেন, ‘এটা আমাদের তরফ থেকে বাঁকুড়া বাসীদের একটা ছোট্ট উপহার।

Bankura Sammilani Medical College : বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সিসি ইউনিটের উদ্বোধন, ভার্চুয়ালি শিলান্যাস মুখ্যমন্ত্রীর
এখানকার সমস্ত বই প্রেমী মানুষদের জন্য। শুধু আজকেই নয়। আমরা আগামী দিনেও এভাবেই মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যেসকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই’। কোনও বইয়ের জন্য বাঁকুড়ার বইপ্রেমীদের ছুটতে হয় কলকাতায়। একদিকে কলকাতা যাতায়াত যেমন ব্যয়সাপেক্ষ অন্যদিকে সময় সাপেক্ষও। এর ফলে মনে বই কেনার ইচ্ছে থাকলেও অনেকের পক্ষেই তা আর হয়ে ওঠে না। এমন পরিস্থিতিতে এই ধরনের বই বাজার যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বোলে মনে করছেন জেলার মানুষ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *