তিনি আগেও জানিয়েছিলেন, এই মুহূর্তে বাস ভাড়া বৃদ্ধি করার কোনও সম্ভাবনাই নেই। এবার তাঁর কণ্ঠে একই সুর শোনা গেল বিধানসভায়। পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিকে সামনে রেখে এর আগে একাধিকবার ভাড়া বৃদ্ধির দাবি করতে শোনা গিয়েছিল বেসরকারি বাস মালিক সংগঠনগুলিকে। যদিও সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি রাজ্য। এবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে উল্লেখযোগ্য মন্তব্য করতে শোনা গেল রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রীকে।
- বাস ভাড়া বৃদ্ধির দাবি
পেট্রল এবং ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিকে সামনে রেখে বাস ভাড়া বৃদ্ধির দাবি করেছিল বেসরকারি বাস মালিকদের একাংশ। এই মর্মে সরকারের দরজাও নাড়িয়েছিলেন তাঁরা। পাশাপাশি বাস ভাড়া বৃদ্ধির সুপারিশ করে বিধানসভায় এস্টিমেট কমিটি।
যদিও সাধারণ মানুষের কথা ভেবে এই প্রসঙ্গে ইতিবাচক কোনও সমর্থন এর আগে সরকারের তরফে পাওয়া যায়নি। সেক্ষেত্রে আগামীদিনে কি রাজ্যে বাস ভাড়া বাড়তে পারে? এবার এই প্রসঙ্গে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী।
- ঠিক কী বলেছেন তিনি?
সোমবার বিধানসভায় তিনি বলেন, “বাসের টিকিট বিক্রি থেকে ভাঁড়ার ভরানো অর্থাৎ লাভ করতে চায় না সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওভাবেই চান না যে সাধারণ মানুষের উপর কোনও চাপ বাড়ুক।”
অর্থাৎ বেশ কিছু আবেদন মেনে যে বাস ভাড়া বৃদ্ধি করা হবে না, এমনটাই স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। এদিন কেন্দ্র সরকারকে তোপ দাগেন তিনি। পরিবহণমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান কেন্দ্র সরকারের আমলে পেট্রল-ডিজেলের দাম বেড়েছে। এর ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।”
এদিকে পরিবহণ দফতরের যে আয় বেড়েছে, এদিন তাও জানান রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে পরিবহণ দফতর আয় করেছে তিন হাজার ৩০৭ কোটি টাকা। এর আগের অর্থবর্ষে আয় হয়েছিল দুই হাজার ৫৮২ কোটি।
উল্লেখ্য, বাস যে কমেছে, এমনটাই জানান পরিবহণমন্ত্রী। আর এর জন্য তিনি বাসের ‘ফিটনেস সার্টিফিকেট’-কেই দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, “১৫ বছর পার হয়ে যাওয়া বাসগুলির ফিটনেস সার্টিফিকেট সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য বাস কমে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে।” যদিও খুব শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান করা হবে, এই আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
