কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে?
কলকাতা পুরসভার ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডে একটি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানেই এই আধুনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্প গড়ে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে ইস্ট কলকাতা ওয়াটারল্যান্ড অথরিটির অনুমতি পাওয়া গিয়েছে বলেও খবর। খুব শীঘ্রই এর কাজ শুরু হবে।
জায়গা নিয়ে সমস্যা?
কলকাতা পুরসভা এই প্রকল্প গড়ে তোলার জন্য যে জায়গাটি বেছে নিয়েছে, তার জন্য কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ওই এলাকায় কিছু কৃষিকাজ হয় এবং কিছু মাছের ভেড়ি রয়েছে বলেও খবর। সেক্ষেত্রে কৃষিকাজে নিযুক্ত ব্যাক্তিদের নতুন জায়গা বা কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। নতুন আয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে পুরসভা।
কী কাজ হবে?
পুরসভা সূত্রে খবর, বাসন্তী হাইওয়ের ধারে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে ৭৩ হেক্টর জমি। সেই জমিতেই গড়ে তোলা হবে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন এই বজ্র প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র। আর জঞ্জালের উঁচু ঢিবি ঘেরার ধাপার মাঠ সহ্য করতে হবে না শহর বাসীকে। শহরের সমস্ত এলাকার জঞ্জাল একত্রিত করে প্রক্রিয়া করণ করা হবে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে।
শহরের বজ্র প্রক্রিয়াকরণ
কলকাতায় প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে বর্জ্য ও জঞ্জাল জড়ো হয়। সেই নিরিখে মুম্বাইয়ে ও চেন্নাইয়ের পরেই কলকাতার স্থান। এত পরিমাণ জঞ্জাল এক জায়গায় জড়ো করার জন্য আগে পুরসভা অঞ্চলগুলিতে আলাদা করে ইউনিট গঠন করা হয়। অনেক জায়গায় জঞ্জাল থেকে গ্যাস উৎপাদনের ব্যাপারেও জোর দেয় কলকাতা পুরসভা।
এর আগে জঞ্জাল সাফাই নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানায় কলকাতা পুরসভা। আবাসন, হাসপাতাল, বেসরকারি স্কুল এবং কলেজের ক্ষেত্রে কড়াকড়ির পথে হেঁটেছিল কলকাতা পুরসভা। জঞ্জাল পরিষ্কার আইনকে এবার দ্রুত বাস্তবায়ন করেছে পুর কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন ১০০ কেজি বা তার বেশি জঞ্জাল তৈরি হয়, এমন বহুতলকে নিজেদের জঞ্জাল সাফাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান হয়।
