Kasba Student Death Case: ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুর জের, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ কসবা সিলভার পয়েন্টের গেট – kasba private school closed its gate for indefinite time 4 days after student death


Silver Point High School: কসবার স্কুলে বেসরকারি স্কুলে পাঁচ তলা থেকে প়ড়ে ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় এখন অব্যাহত উত্তেজনা। দশম শ্রেণীর ছাত্রের মৃত্যুতে এবার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ স্কুলের দরজা। কসবার রথতলার সিলভার পয়েন্ট হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ নোটিশ দিয়ে জানিয়েছেন, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে স্কুল। পড়ুয়াদের সুরক্ষার কারণ দেখিয়ে স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কসবার ওই বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষ।

Kasba Student Death: প্রজেক্ট জমা দিতে না পারায় মানসিক চাপ? কসবায় স্কুলে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যু পড়ুয়ার

নোটিশ দিয়ে স্কুল বন্ধ নিয়ে ক্ষোভ

স্কুলের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা। বৃহস্পতিবার পড়ুয়াদের স্কুলে ছাড়তে এসে অভিভাবকেরা দেখেন বিশাল লোহার গেটে তালা মারা। তার উপরে সাঁটানো একটি নোটিশ। যাতে ৪ সেপ্টেম্বর ছাত্র মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে বলা হয়েছে যে, পুরো ঘটনায় স্কুলের ভূমিকা ভীষণই খারাপ দেখানো হয়েছে। একইসঙ্গে নোটিশে বলা হয়েছে, পুরো ঘটনায় গোটা স্কুল সাংঘাতিক শকড্। ট্রমা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারছে না কেউই। এমন অবস্থায় পড়ুয়াদের সুরক্ষাই আমাদের কাছে প্রথমে অগ্রাধিকার পাবে। তাই ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় যে তদন্ত এখন স্কুলে চলছে, সেই আবহ থেকে পড়ুয়াদের দূরে রাখতেই আবার কোনও নোটিশ দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে স্কুল।

Kasba School Student Death : ‘চাপা রাগ ছিল’, কসবার স্কুল পড়ুয়ার ‘মানসিক অবসাদ’ তত্ত্বে সিলমোহর শিশু সুরক্ষা কমিশনের

কী ঘটনা ঘটেছিল সিলভার পয়েন্টে?

চলতি সপ্তাহের সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে স্কুলে রক্তাক্ত অবস্থায় এক দশম শ্রেণীর ছাত্রের দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয় পাঁচতলার ছাদ থেকে ওই পড়ুয়া পড়ে গিয়েছে। সে আত্মহত্যা করেছে না কেউ তাঁকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছে তা খতিয়ে দেখতে চলছে তদন্ত। প্রাথমিক তদন্তের পর অনুমান, ওই ছাত্র নিজেই ঝাঁপ মেরেছেন। তবে এবিষয়ে স্কুলের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন মৃত পড়ুয়ার বাবা। বলেন, প্রজেক্ট জমা না দিতে পারার জন্য তাঁকে স্কুল থেকে মানসিক চাপ দেওয়া হচ্ছিল।

Kasba School Student Death : করোনা কালে ফি কমাতে বলায় ‘কড়া’ শাস্তি? কসবার স্কুলে ছাত্রমৃত্যুতে একাধিক প্রশ্ন
প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় উঠে আসে পড়ুয়ার মানসিক অবসাদের তত্ত্বও। একসঙ্গে পড়ুয়ার বাবা বলেন, করোনাকালে বেতন কমানোর কথা বলে স্কুলে রোষের মুখে পড়েছিলেন তিনি সেজন্যেও তাঁর ছেলের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে অভিযোগ। তদন্তে ইতিমধ্যেই স্কুলে পুলিশ ছাড়াও যান মহিলা কমিশন ও ফরেনসিক।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *