Durga Puja 2023 : বঙ্গের দুর্গাপুজোয় অনুদান ঢালতে চায় পদ্ম-শিবিরও, কটাক্ষ তৃণমূলের – the central leadership of bjp wants to donate during durga puja in bengal like the state government


এই সময়: রাজ্য সরকারের মতো এবার অনুদানের ঝুলি নিয়ে দুর্গাপুজো উদ্যোক্তাদের দরজায় কড়া নাড়তে চলেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও। পাড়ায় পাড়ায় দুর্গাপুজোর দখল নিতে আপাতত এটাই গেরুয়া শিবিরের কৌশল। বিজেপির অনুদানের পরিমাণ রাজ্য সরকারের পুজো-অনুদানের থেকে বেশি হবে বলেই দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দিল্লি থেকে দলের জেলা কমিটিগুলির কাছে বারোয়ারি দুর্গাপুজোর তালিকা চেয়ে পাঠানো হয়েছে। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই সেই তালিকা দিল্লিতে পাঠিয়ে দিতে হবে। সেই মতো ‘অনুদান বাজেট’ তৈরি করবেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

Amit Shah : ধুমধাম করে দুর্গাপুজোর পরিকল্পনা BJP-র, উদ্বোধনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও
দুর্গাপুজোকে হাতিয়ার করে বিজেপি জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছে বেশ কয়েক বছর ধরে। সল্টলেকের ইজেডসিসিতে দলের উদ্যোগে দুর্গাপুজোর আয়োজনও করা হচ্ছে ২০২০ থেকে। তবে মাত্র একটি পুজোতেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আটকে থাকতে চাইছেন না। তাঁদের ইচ্ছে, বাংলার প্রতিটি ব্লকে অন্তত একটি করে পুজো কমিটিতে বিজেপির অংশগ্রহণ থাকুক। যে পুজোমণ্ডপগুলিতে নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় থাকবেন স্থানীয় গেরুয়া নেতা-কর্মীরাই। এটা যে মোটেই সহজ কম্মো নয়, সেটা দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে সুকান্ত মজুমদারদের তরফে। তাঁদের যুক্তি, পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব বারোয়ারি দুর্গাপুজো কমিটিই তৃণমূল প্রভাবিত।

Jagat Prakash Nadda : এত্ত নালিশ! বাংলা থেকে চিঠির বোঝায় তিতিবিরক্ত নাড্ডা
তা ছাড়া, রাজ্য সরকার পুজো কমিটিগুলিকে মোটা টাকা সরকারি অনুদানও দেয়। ফলে কোনও পুজো কমিটিই সহজে বিজেপির ছত্রচ্ছায়ায় আসতে রাজি হবে না। সূত্রের খবর, রাজ্য বিজেপির নেতৃত্বের যুক্তি মেনে নিয়ে পাল্টা অনুদান দিয়ে পুজো কমিটিগুলিতে প্রভাব বিস্তার করতে চাইছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। দলীয় স্তরে সিদ্ধান্ত হয়েছে, রাজ্যের যে পুজো কমিটিগুলি ‘বিজেপির পুজো’ হয়ে উঠবে তাদের রাজ্য সরকারের থেকে বেশি টাকার অনুদান দেওয়া হবে। বিজেপির অর্থিক অনুদান পেতে কিছু শর্তও পূরণ করতে হবে পুজো উদ্যোক্তাদের।

Dhupguri By Election : প্রার্থী বাছাইয়ে গলদ ছিল কি, প্রশ্ন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের
যেমন পুজো মণ্ডপের আশপাশে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যানারও লাগাতে হবে। মণ্ডপসজ্জায় ভারতীয় সংস্কৃতির প্রভাব থাকতে হবে। এবং সপ্তমী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতে হবে বিজেপির ‘গাইডলাইন’ মেনে। তবে পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনার কথা সরাসরি স্বীকার করতে চাইছেন না রাজ্য বিজেপি নেতারা। দলের রাজ্য মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, ‘সরকারি তহবিল থেকে পুজো কমিটিগুলকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার বিরোধী আমরা।

Roopa Ganguly : কেন বিজেপি নেতাদের গ্রেফতার নয়? রূপার মন্তব্যে নয়া বিতর্ক
রাজ্য সরকার শুধু তৃণমূল পরিচালিত পুজো কমিটিগুলিকেই টাকা দিচ্ছে। আমাদের পার্টির নেতাকর্মীরাও অনেক পুজো কমিটির সঙ্গে যুক্ত। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেখানে আর্থিক প্রতুলতা থাকলে দলীয় নেতাকর্মীরা মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আর্থিক সমস্যার সমাধান করবেন।’ বিজেপির এই কৌশলকে খোঁচা দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেন। তাঁর কটাক্ষ, ‘যে বিজেপি টাকা দিয়ে সাংসদ-বিধায়ক কেনাবেচা করে, তারা এবার টাকা দিয়ে দুর্গাপুজো কিনতে চাইছে। কিন্তু এ সব করে বিজেপি রাজ্যের একটা পুজোমণ্ডপেও ঢুকতে পারবে না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *