এর আগে আদালতে সিবিআই জানিয়েছিল, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার’ সমান দুর্নীতির পর্দাফাঁস হবে রিপোর্টে। আগের শুনানি রিপোর্ট দিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা বলেন, বেআইনি নিয়োগে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টপাধ্যায়ের সরাসরি ভূমিকা ছিল। এই দুর্নীতির সঙ্গে ধৃত তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যেরও সরাসরি যোগাযোগ ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের। সিবিআই আদালতে জানিয়েছে, মানিক ভট্টাচার্য বিভিন্ন সময়ে পার্থর চেম্বারে যেতেন বলে তথ্য রয়েছে তদন্তকারী সংস্থার হাতে।
সিবিআই আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্যের জমা দেওয়া রিপোর্টে উল্লেখ, ‘কুন্তল ঘোষ জানিয়েছে, সে তাপসকে ব্যাগ ভর্তি টাকা দেয়। যেটা মানিককে দেওয়া হয়। ফেক ওয়েবসাইট বানায় কুন্তল। সেখানে অযোগ্যদের চাকরি দেওয়া হত। ১৯.৬৩ কোটি টাকা আসে কুন্তলের কাছে। সুজয় ভদ্র জীবন কৃষ্ণ এরাও নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত ছিল। এই তদন্ত করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে মন্ত্রীত্বের পদে আছেন এমন, বিধায়কেরাও এদের সঙ্গে যুক্ত।’ এছাড়া নিয়োগ দুর্নীতির চার্জশিটে আরও দুই এসএসসি আধিকারিকের নামও রয়েছে। তাদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি বলে বিচারপতি প্রশ্ন তুললে, উত্তরে জানানো হয় তারা কাদের হয়ে কাজ করতেন, তা জানার চেষ্টা চলছে।
