Boro Maa Naihati : নৈহাটি বড় মা মন্দিরের একশো বছর পূর্তিতে ৪ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠান, রইল সময়সূচি – boro maa naihati mandir hundred years celebration programme details


নৈহাটি জাগ্রত বড় মায়ের মন্দিরের একশো বছরের পূর্তি উপলক্ষ্যে একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে নানান অনুষ্ঠান। ২৬ তারিখ থেকে ২৯ তারিখ পর্যন্ত পূজা পাঠ, মহাযজ্ঞ কর্মসূচি এবং নতুন মন্দিরের দ্বার উদঘাটনের অনুষ্ঠান রয়েছে।

Boro Maa Naihati : নৈহাটির বড়মার নতুন মন্দিরের কাজ প্রায় শেষ, ভক্তদের সুবিধায় নানা পরিকল্পনা কমিটির
কীরকম সময়সূচি

আগামী ২৬ তারিখ থেকে একশো বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে পূজাপাঠ ও অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ হতে চলেছে। ২৬ অক্টোবর সকাল ন’টায় মন্দিরের চূড়ায় ধ্বজা এবং কলস পুজো রয়েছে। বিকেল ৫.১৫ মিনিটে দেবীর অধিবাস পুজো আরম্ভ হবে। ২৭ তারিখ দেবীর মহাস্নান আরম্ভ হবে সকাল ৭.৩০ মিনিটে। সকাল ১১.৩০ মিনিটে দেবীর স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কার দ্বারা শৃঙ্গার অনুষ্ঠান আছে। দেবীর মূল ঘট স্থাপন হবে দুপুর ২টোয়।

Local Train News: অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা, নৈহাটিতে বেলাইন মালগাড়ি
পরবর্তী অনুষ্ঠান

এরপর ২৮ তারিখ সকাল সাড়ে সাতটা থেকে দেবীর মহাপুজো আরম্ভ হবে। দুপুর ১২টায় কুশমান্ড বলিদান এবং দুপুর সাড়ে বারোটায় মায়ের আরতি ও ভোগদান শুরু হবে। দুপুর একটায় রয়েছে মহাযজ্ঞ ও পূর্ণাহূতি পর্ব। এরপর ২৯ তারিখ মায়ের বিশেষ নিত্য পুজো, ভোগরাগ ও আরতি রয়েছে। বেলা ১২.৫০ মিনিটে মন্দিরের দ্বার উদঘাটন কর্মসূচি রয়েছে।

Naihati Ferry Service : ঝাঁ চকচকে হচ্ছে নৈহাটি ফেরিঘাট? বিশ্বব্যাঙ্ক থেকে বিপুল অর্থ সাহায্যের ঘোষণা পুরপ্রধানের
সেজে উঠছে নতুন মন্দির

অরবিন্দ রোডের উপর যেখানে বড়মার মন্দির ছিল সেখানেই সেজে উঠছে সুউচ্চ চূড়া বিশিষ্ট নয়া মন্দির। এছাড়াও তৈরি হচ্ছে অতিথি নিবাস। বড় মাকে নিয়ে মানুষের আবেগ, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সীমা নেই। দূর দূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ আসেন মায়ের দর্শনে। দেশ দেশান্তরের মানুষ এসে মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে যান। অগণিত ভক্তদের কথা ভেবেই সেজে উঠছে এই মন্দির।

নৈহাটির বড় মা মন্দিরে থিক থিক করছে ভিড়!

একশো বছর পূর্তি

নির্দিষ্ট কোন সময় থেকে মায়ের পুজো আরম্ভ হয়েছে সঠিক বলা না গেলেও এই বছর একশো বছর পূর্তি উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে। ভক্তদের সুবিধার জন্য নতুন মন্দিরে একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পুরোহিত ও মন্দির কমিটির সদস্যদের জন্য অতিথিশালা ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। নতুন অতিথিশালা নির্মাণের জন্য কিছু দোকান ভাঙা পড়েছে। তবে মন্দির কমিটির তরফে তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। কালীপুজোর সময় ভক্তরা ২১ ফুটের বিশাল কালীমূর্তি দেখতে ভিড় জমান। ইতিহাস বলছে, নৈহাটির বাসিন্দা ভবেশ চক্রবর্তী নদিয়ার শান্তিপুরে রাস উৎসবে যান। সেখানে বিশাল কালীমূর্তি দেখে মুগ্ধ হয়ে যান। এরপর অরবিন্দ রোডে মায়ের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে শুরু হয় পুজো। তারই একশো বছরের উদযাপনের আয়োজন মহাসমারোহে।

নিত্য নতুন খবরের আপডেট পেতে এই সময় ডিজিটাল হোয়াটস্যাপ চ্যানেল। ক্লিক: https://whatsapp.com/channel/0029Va9zh58Gk1Fko2WtDl1A



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *