Durga Puja 2023 : আদিবাসী মন্ত্রে পূজিত হন মা, অবাক করবে মালদার গ্রামের দুর্গাপুজোর ইতিহাস – durga puja celebrated with adivasi mantra at bhanga dighi village in malda


মা পূজিত হন আদিবাসী ভাষার মন্ত্রে। মা দুর্গার সংস্কৃত মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে পুজোর রীতি সর্বত্রই। তবে ব্যতিক্রমী পুজোর সন্ধান রয়েছে মালদা জেলার ভাঙা দিঘি গ্রামের পুজোয়। প্রায় ১৫০ বছরে পুজো আজও নিষ্ঠা ভরে পালন করে আসছেন আদিবাসী গ্রামের মানুষজন।

Durga Puja Pandal : মাটি রক্ষায় ভুট্টা দিয়ে দুর্গা প্রতিমা! প্রাক্তন পুলিশকর্মীর ‘শিল্প’ দেখতে তুঙ্গে উৎসাহ
মা দুর্গার পুজো

শতাব্দী প্রাচীন এই পুজোকে ঘিরে এখনও গোটা গ্রামের মানুষের উন্মাদনা। কমবেশি ২০০টি আদিবাসী পরিবার এখানে বসবাস করে। আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা হবিবপুর ব্লক। সেই ব্লকে আদিবাসী সম্প্রদায় মানুষ নিজের ভাষায় মন্ত্র পাঠ করে মা দুর্গা। পুজোটি হয় মালদার হবিবপুর থানার কেন্দপুকুর এলাকার ভাঙা দিঘি গ্রামে। গ্রামের মধ্যে রয়েছে ছোট্ট একটি টিনের ঘর। সেই ঘরের মধ্যে রয়েছে এই মা দুর্গার বেদী। সেখানেই দীর্ঘদিন ধরে এই পুজো হয়ে আসছে।

Planet Transit: দুর্গাপুজোর আগেই কন্যায় একাধিক গ্রহের আসা-যাওয়া, বড় পরিবর্তন আসছে সব রাশির জীবনেই
আদিবাসী মন্ত্রে পুজো

পুরোহিতের মন্ত্রে নয়, আদিবাসীদের নিজস্ব মন্ত্রেই নিষ্ঠার সঙ্গে এখানে পূজিত হন মা দুর্গা। প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো মালদার হবিবপুরের কেন্দপুকুর ভাঙাদিঘি এলাকার প্রাচীন এই দুর্গাপুজো। তবে এই পুজোর ইতিহাস রয়েছে। লব হাঁসদা শুরু করেছিলেন এই পুজো। তাঁর উত্তরসূরি বাবুলাল হাঁসদা জানান, তাঁদের এই পুজোটা শুরু হয়েছিল ঠাকুরদার আমলে বাংলাদেশে। এক সময় এই পুজো ছিল পরিবারকেন্দ্রীক। ১৫০ বছরের পুরোনো এই দুর্গা পুজো।পুজোর প্রচলন করেছিলন লব হাঁসদা।

Susmita Dey Durga Puja Plan : ‘তৃতীয়ার মধ্যেই সব ঠাকুর দেখে নেব’, অনির্বাণের সঙ্গে পুজোর প্ল্যান শেয়ার সুস্মিতার
স্বপ্নাদেশ পেয়ে পুজো শুরু

স্বপ্নাদেশ পেয়েই নাকি দেবী দুর্গার পুজো শুরু করেছিলেন লব হাঁসদা। তখন বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার, নাচোল থানার হাকরোল গ্রামে থাকতেন লব হাসদাঁ। আজও ধূমধাম করে আদিবাসী সম্প্রদায়ের নিয়ম-নীতি মেনে দেবীর আরাধনা করা হয়। পুজোর চার দিন এখানে পংক্তি ভোজনের আয়োজন করে থাকেন আদিবাসী সমাজের মানুষেরা। চারদিনই নিরামিষ ভোগ দেওয়া হয় দেবীকে।

মুদিয়ালিতে এবার ‘সমাহারে সমারহ’! জেনে নিন বিস্তারিত

নবমীতে খিচুরি ভোগ করা হয়। ব্রাহ্মণ পুরোহিতের বদলে একজন প্রবীণ আদিবাসী তাঁদের নির্দিষ্ট ধর্মীয় রীতি মেনে দেবী দুর্গাকে পুজো করেন। দেবীর বোধন। হবিবপুরের ভাঙাদিঘিতে এখন পুজোর তোড়জোড় তুঙ্গে। গোটা এলাকার মানুষ এগিয়ে আসেন এই পুজো উদযাপনে। আদিবাসী সমাজের মানুষজন পুজোর চারদিন মায়ের আরাধনায় ব্যস্ত থাকেন। গ্রামের বাসিন্দাদের কাছে এই দেবী খুবই জাগ্রত। সকলের মনোবাঞ্ছা তিনি পূরণ করেন বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

সব খবর জানতে এই সময় ডিজিটাল হোয়াটস্যাপ চ্যানেল। ক্লিক: https://whatsapp.com/channel/0029Va9zh58Gk1Fko2WtDl1A



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *