পড়ুয়া মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গিয়েছে। পরিবার সূত্রে খবর, দশম শ্রেণির টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে নীলাদ্রি মনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। পরীক্ষায় যদি পাশ না করতে পারে, সেই আতঙ্ক তাঁকে গ্রাস করে। সেই কারণে চিকিৎসক বাবার থেকে চুরি করে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খেয়েছিল সে। অ্যামলোডিপিন-৫ মিগ্রা খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে সাউথ পয়েন্ট স্কুলের ওই পড়ুয়া। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে কারণে মৃত্যু হয়েছে ওই পড়ুয়ার।’
সাউথ পয়েন্ট স্কুলের ঘটনা সামনে আসার পর গোটা শহর জুড়ে এই তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারে বলে জানা গিয়েছে। শুধুমাত্র মানসিক চাপের কারণে এই ঘটনা, না অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা।
সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতেই কসবার একটি বেসরকারি স্কুলে পাঁচতলা থেকে মৃত্যু হয় দশম শ্রেণির ছাত্র শেখ শানের। এই ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল মৃত ছাত্রের পরিবার। ঘটনার কয়েকদিনের মাথায় সিলভার পয়েন্ট স্কুল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এই ঘটনায় মৃত স্কুল পড়ুয়ার বাবা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চাপ তৈরির অভিযোগ করেছিলেন। মৃত পড়ুয়ার বাবার অভিযোগ, ‘প্রোজেক্ট সময়ে জমা না দেওয়ার কারণে বকাবকি করা হয়েছিল। সবার সামনে কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়য সেই কারণে অপমানিত বোধ করে।’ এই ঘটনায় মৃত পড়ুয়ার ও প্রতিবেশীদের তরফে কসবা থানায় বিক্ষোভ দেখনো হয়। এমনকী রাস্তা অবরোধও করা হয়।
অন্যদিকে অগাস্ট মাসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় হয়ে ওঠে গোটা রাজ্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলে ওই পড়ুয়াকে র্যাগিং করার অভিযোহ ওঠে। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ও পড়ুয়াদের একাংশের দিকে অভিযোগের আঙুল ওঠে। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ও পডুয়া মিলে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সব খবর সবার আগে জেনে এই সময় ডিজিটালে।
