কী বললেন মহুয়া ?
শনিবার দার্জিলিং রাজভবনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে যান তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল। কিছুক্ষণ আগেই দার্জিলিং রাজভবন থেকে বৈঠক শেষে বেরিয়ে আসেন মহুয়া মৈত্ররা। এরপরেই বিস্ফোরক দাবি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এই কথা জানান মহুয়া।
বিস্ফোরক দাবি
মহুয়া জানান, রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক করার পর রাজভবন দার্জিলিং থেকে বেরিয়ে এসেছি। উনি আন্তরিকভাবে মেনে নিয়েছেন যে আমাদের কেন্দ্রীয় প্রকল্পে আর্থিক বঞ্চিনার দাবিগুলি ন্যায্য এবং যুক্তিসঙ্গত। বিষয়টি নিয়ে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিলেও রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করলে তিনি অসহায় বলে জানান। যদিও বিষয়টি নিয়ে রাজভবন বা রাজ্যপালের তরফে এখনও কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
বোসের সঙ্গে সাক্ষাৎ
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আজই উত্তরবঙ্গ উড়ে যান তৃণমূলের তিন জন সদস্য। সেই দলে ছিলেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। রাজ্যপাল উত্তরবঙ্গ বন্যা খতিয়ে দেখার জন্য উপস্থিত রয়েছেন। কলকাতায় রাজভবনের সামনে ধরনায় বসেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব। এরই মাঝে আজ সাক্ষাতের জন্য সময় দেন রাজ্যপাল।
তৃণমূলের ধরনা
তৃণমূলের ধরনা এখনও অব্যাহত। এদিন ধরনা মঞ্চ থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নাম উল্লেখ করে দুটি ফোন নম্বর দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প থেকে বঞ্চিত বা বলা যায় একশো দিনের কাজে জব কার্ড হোল্ডারদের সরাসরি ফোন করে কৈফুয়ত চাওয়ার জন্য বলেন অভিষেক।
কলকাতায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
অন্যদিকে, আজই কলকাতায় এসেছিলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত দফতরের প্রতিমন্ত্রী নিরঞ্জন জ্যোতি। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের উপর অভিযোগের আঙুল তুলে বলেন তাঁরাই কৃষি ভবনে দেখা করতে চাননি মন্ত্রীর সঙ্গে। কেন্দ্রীয় সরকার প্রকল্পের জন্য আর্থিক সাহায্যের প্রস্তুত, এই প্রকল্পগুলোতে আর্থিক দুর্নীতির বিষয়টি উঠে আসছে বলেই দাবি করেন তিনি।
নিয়মিত আপডেট পেতে জয়েন করুন এই সময় ডিজিটাল হোয়াটস্যাপ চ্যানেল। ক্লিক: https://whatsapp.com/channel/0029Va9zh58Gk1Fko2WtDl1A