দুর্গা পুজো 2023 : কাশী বোসের মণ্ডপ পারি দেবে চন্দননগর, সুরুচি মেদিনীপুরে! দুর্গা পুজোর থিমের দর উঠছে কেমন জানুন – kolkata durga puja many puja pandals of city will be installed in district kali and jagadhatri pujas


প্রত্যেক বছর দুর্গাপুজোর শেষে কলকাতার জনপ্রিয় পুজো মণ্ডপগুলির চাহিদা এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যায়। শুরু হয়েছে তুমুল দর হাঁকাহাঁকি। কারণ কালী বা জগদ্ধাত্রী পুজোতে শহরের পুজো মণ্ডপগুলি দিয়ে নিজদের মণ্ডপ সাজাতে জেলার পুজো কমিটিগুলির মধ্যে থাকে আগ্রহ। এবারও তার অন্যথা হয়নি। পুজো শেষ হতেই কলকাতার সেরা পুজো মণ্ডপগুলি নিয়ে জেলার বিভিন্ন কালী বা জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির সঙ্গে দর কষাকষি শুরু করেছেন উদ্যোক্তারা।

কলকাতার দুর্গাপুজোর কর্তাদের কেউ তাঁদের মণ্ডপের বিনিময়ে দর হাঁকছেন ১০ লাখ টাকা। আবার কোনও পুজো কমিটি ৩৫ লাখ টাকার কমে মণ্ডপ দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিয়েছে। পালটা জেলার পুজো উদ্যোক্তাদের তরফে হাফ দামে মণ্ডপ কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। জেলার পুজো উদ্যোক্তা জানাচ্ছেন, এত চড়া দামে মণ্ডপ কেনার মতো ‘বাজেট নেই।’ জেলার পুজোকর্তারা ধরেই নিয়েছেন মণ্ডপ বিক্রি করতে হলে আখেরে ‘লক্ষ্মীলাভ’ হওয়ার সম্ভাবনা কম। সেই কারণে কোনও কমিটি কমদামে মণ্ডপ বিক্রি করে দেওয়ার কথা ভাবছেন, কেউ আবার মণ্ডপ খুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজকের কার্নিভ্যালের পর এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শহরের পুজো কমিটিগুলি।

কোন পুজোমণ্ডপ কোন জেলায় যাচ্ছে?

যেমন নিউ আলিপুরের সুরুচি সংঘের পুজো মণ্ডপ যাচ্ছে মেদিনীপুরের একটি পুজোয়। বেলেঘাটা ৩৩ পল্লীর মণ্ডপ চন্দনগরের একটি জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটিতে দেখা যাবে। নারী পাচারের উপর থিম তৈরি করে এবার তাক লাগিয়ে দিয়েছিল উত্তর কলকাতার কাশী বোস লেনের পুজো। সাড়ে সাত লাখ টাকার বিনিময়ে সেই পুজো যাচ্ছে চন্দননগরে।

Kalyani ITI More Pandal 2023 : দশমীতে বিসর্জন নয়, কল্যাণীর আইকনিক পুজো মণ্ডপে ঠাকুর দেখা যাবে আরও কতদিন?
তেলেঙ্গাবাগান, চোরবাগানের মতো পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে একাধিক জেলার পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথাবার্তা চললেও কোনও কিছুই এখনও চূড়ান্ত হয়নি। চোরবাগানের সর্বজনীনের পুজো মণ্ডপ ৩৫ লাখ টাকা দর দেওয়া হলেও এখন কথাবার্তা চলছে। বালিগঞ্জ কালচারালের সঙ্গে শিলিগুড়ির একটি পুজো কমিটিরও কথা চলছে। অন্যদিকে দমদম পার্ক ভারতচক্র ও দমদম পার্ক তরুণ সংঘের উদ্যোক্তাদের কাছে প্রস্তাব এসেছে। কিন্তু তারা এতে রাজি নয়।

কী বলছে পুজো কমিটিগুলি?

কাশী বোস লেন পুজো কমিটির তরফে সৌমেন দত্ত এই সময় ডিজিটালকে বলেন, ‘চন্দননগর উত্তরাঞ্চলের একটি জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটি সাড়ে সাত লাখ টাকার বিনিময়ে আমাদের পুজো মণ্ডপ নিচ্ছে। আগামী বছর দুর্গাপুজোয় কোচবিহারের মহিলা পরিচালিত একটি পুজোয় আমাদের মণ্ডপই দেখা যাবে। সেই বিষয়ে কথা পাকা হয়েছে গিয়েছে।’

অন্যদিকে সুরুচি সংঘের পুজো উদ্যোক্তা স্বরূপ বিশ্বাস এই সময় ডিজিটালকে বলেন, ‘এখন আমরা দু্র্গাপুজোর কার্নিভ্যাল নিয়ে ব্যস্ত। জেলার একাধিক পুজো কমিটি আমাদের মণ্ডপ নেওয়া বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। মেদিনীপুরের একটি পুজো কমিটির সঙ্গে কথা এগোলেও এখনও চূড়ান্ত কিছু হয়নি। কার্নিভ্যাল শেষ হোক, তারপর আমরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *