Laxmi Puja 2023 : কেদারনাথ থেকে চন্দ্রযান! থিমের প্যান্ডেল বানিয়ে বিরাট আয়োজন লক্ষ্মীপুজোর – laxmi puja 2023 celebrated like durga puja at various village in tarakeswar hooghly


চন্দ্রযান থেকে কেদারনাথ মন্দির। পুজো মণ্ডপের থিম জমজমাট। না, দুর্গাপুজোর কথা হচ্ছে না। লক্ষ্মী পুজোতে থিমের বহর হুগলি জেলার তারকেশ্বরে। গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দারাই দুর্গা নয়, লক্ষ্মী আরাধনায় মেতে ওঠেন।

কী জানা যাচ্ছে?

তারকেশ্বরের নাইটা মাল পাহাড় পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কয়েকটি গ্রামে হয়না দুর্গা বন্দনা। কৃষি প্রধান এলাকা হওয়ায় লক্ষী বন্দনায় মেতে ওঠেন এই এলাকার সাধরণ মানুষ। মূলত তারকেশ্বরের জগন্নাথ পুর, রানাবাঁধ, বেলবাঁধ এলাকায় দুর্গা পুজো অনুষ্ঠিত হয় না বললেই চলে। কৃষি প্রধান অঞ্চল হওয়ার কারণে বাড়ি বাড়ি লক্ষ্মীর আরাধনায় মেতে ওঠেন এখানকার মানুষ। পাশাপাশি, ১৬ টি পুজোর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন পুজো কমিটির উদ্যোগে। প্রতিটি পুজো মণ্ডপেই লক্ষ্য করা যায় থিমের বৈচিত্র্য।

লক্ষ্মী পুজোয় থিম

কোনও পুজো মণ্ডপ করা হয়েছে চন্দ্রযান ৩ এর আদলে। কোনওটার থিম আবার কেদারনাথের মন্দির। কোনও ক্লাবের পুজোর থিম সহজ পাঠ। সব ক্লাবের পুজো মণ্ডপ থেকেই একাধিক সামাজিক সচেতনাতার বার্তা দেওয়া হয়েছে

স্থানীয়রা কী জানাচ্ছেন?

স্থানীয়রা জানান, গ্রামের অধিকাংশ মানুষ এই কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত। অধিকাংশ চাষী আবার ধান চাষ করেন। তাই সকলে মিলেই মা লক্ষ্মীর আরাধনা করি। গ্রামের অধিকাংশ লোকই দুর্গাপুজোর সময় সেভাবে আনন্দে মেতে ওঠেন না। তবে লক্ষ্মীপুজো এলেই সেই আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে যায়। আগে সাবেকি পুজো হতো কিন্তু যুগের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এখন থিমের পুজো করা হচ্ছে।

Laxmi Puja 2023 : মণ্ডপ সাজান শম্ভুনাথ, প্রতিমা আনেন মেহের আলি! সম্প্রীতির লক্ষ্মীপুজো বাঁকুড়ায়
পুজো উদ্যোক্তারা কী জানাচ্ছেন?

পুজো উদ্যোক্তা জানান, একসময় এই গ্রামের মানুষ দু’বেলা দু মুঠো ঠিকভাবে খেতে পেত না। সবটাই কৃষির ওপর নির্ভর ছিল। তাই কৃষিতে মা লক্ষ্মীর আরাধনা করলে ফসল ভালো হবে সে কারণে গ্রামের ছেলে মেয়েরা মিলিতভাবে সার্বজনীন লক্ষ্মীপুজো করা হয়। বিগত কয়েক বছর ধরে এই এলাকার লক্ষী পুজোয় থিমের বৈচিত্র এতটাই আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে যে কারণে শুধু হুগলি জেলা নয় পার্শ্ববর্তী জেলা হাওড়া, বর্ধমান সহ বেশ কয়েকটি জেলা থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়। ছয় দিন ধরে চলে মেলা।

পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ডিএসপি হুগলি গ্রামীণ পুলিশ আফজল আবরার জানান, চাপাডাঙ্গা ও পিয়াসার আমল দুটি জায়গাতেই যান নিয়ন্ত্রণ করা থাকবে। চারচাকা গাড়ি নিয়ে ঢোকা নিষেধ। বিভিন্ন মণ্ডপের দু’পাশে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশি ব্যবস্থা থাকবে। পকেটমার বা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে থাকবে সাদা পোশাকের পুলিশ। কারও কোন সমস্যা থাকলে তার জন্য পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র করা হয়েছে। এছাড়া ডিজে বাজানো সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে বিসর্জন করতে হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *