Visva Bharati University:’রবিঠাকুরের অপমান! এমন অহঙ্কারি জিনিস এখনই সরান…’ বিশ্বভারতীর UNESCO ফলক নিয়ে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর – mamata banerjee again demand removal of unesco heritage memorial plaques where rabindranath tagore name is not mentioned


Mamata Banerjee News: শান্তিনিকেতনের ইউনেস্কো স্বীকৃতি ফলকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম না থাকা নিয়ে আবারও আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অবিলম্বে কেন্দ্রকে ফলকটি সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ তাঁর। এই কাজ যে রবিঠাকুরের অপমান তা তিনি এদিনও বলেন।

গত কয়েকদিন ধরে বিশ্বভারতীর ফলক বিতর্ক নিয়ে উত্তাল রাজ্য। ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ স্বীকৃতি পাওয়ার পর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ফলক বসানো হয়। কিন্তু তাতে দেখা যায় আচার্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও উপাচার্য হিসেবে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর নাম থাকলেও প্রতিষ্ঠাতা, রূপকার কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামের উল্লেখ কোথাও নেই। প্রাণপুরুষ রবি ঠাকুরের নাম এভাবে বাদ যাওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন আশ্রমিক থেকে শুরু করে, পড়ুয়া, শিক্ষাবিদ, ঠাকুর পরিবারের সদস্য, রাজনীতিক থেকে নানা স্তরের মানুষ। গত ২৬ এই ফলক অবিলম্বে পরিবর্তন করার দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারিও দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেই সময়সীমা পার হয়ে গেলেও এখনও বদলানো হয়নি ফলকটি। এই খবরে এদিন ফের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, ‘গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তৈরি করেছেন শান্তিনিকেতন, বিশ্বভারতী, কিন্তু UNESCO ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমা পাওয়ার পর বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ একটি ফলক বসিয়েছে। তাতে উপাচার্যের নাম থাকলেও কোথাও নেই প্রাণপুরুষ রবিঠাকুরের নাম। এটা শুধু রবিঠাকুর নয়, ঔপনিবেশকতার বিরুদ্ধে লড়াই করা মহাপুরুষদের অপমান।’

এখানেই শেষ নয়, মমতা লিখেছেন, ‘কেন্দ্র সরকারকে আমার পরামর্শ অবিলম্বে এমন আত্মকেন্দ্রিক, উন্নাসিক প্রদর্শন সরানো হোক এবং গুরুদেবকে তাঁর প্রাপ্ত সম্মান দেওয়া হোক শীঘ্র।’ ইতিমধ্যেই শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর বাইরে তৃণমূলের প্রতিবাদ সভা চলছে। ২৬ অক্টোবর তিনি সময়সীমা উল্লেখ করে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন শীঘ্র কবিগুরুর নাম উল্লেখ করতে হবে নচেৎ তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে আন্দোলন শুরু হবে।

‘অভিষেক জন্মায়নি তখন! নথি চাইছে’! বিস্ফোরক মমতা

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শান্তিনিকেতন ইউনেস্কো স্বীকৃতি পেয়ে থাকলে, ‘সেটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্যেই পেয়েছে। তিনিই নিজে হাতে করে শান্তিনিকেতনকে গড়ে তুলেছিলেন। আর এখন ওঁর নামই সরিয়ে দিল?’ প্রসঙ্গত, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ইউনেস্কো-র স্বীকৃতি পায় শান্তিনিকেতন। সেসময় স্পেন সফরে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকেই আনন্দ ভাগ করে নেন তিনি। বিশ্বভারতী এই সম্মান পাওয়ার পরই বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রভবন, উপাসনা গৃহ, গৌরপ্রাঙ্গণ ইত্যাদি জায়গায় শ্বেতপাথরের ফলক বসানোর ব্যবস্থা করা হয় বিশ্বভারতীর তরফে। কিন্তু সেই ফলকেই বাদ পড়েছে খোদ প্রতিষ্ঠাতা, শান্তিনিকেতনের রূপকার রবিঠাকুরের নাম। সেই নিয়েই চাঞ্চল্য। তবে এই হুঁশিয়ারির পরও এখনও শান্তিনিকতনে জ্বলজ্বল করছে তার রূপকারের নামহীন ফলক। তবে বিষয়টি রাজভবনের তরফ থেকে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *