কী জানা যাচ্ছে?
আগামী ২ নভেম্বর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত আগামী ৯ দিন রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করছে তৃণমূল। উত্তর থেকে দক্ষিণ সবকটি জেলাতেই অঞ্চল ভিত্তিক এই সম্মিলনীর আয়োজন করা হবে। সম্মিলনীর মাধ্যমে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আগামী লোকসভার ব্লু প্রিন্ট তৈরি করা পাশাপাশি মানুষের লিটমাস টেস্ট করে নেওয়ার জন্যে এখন থেকেই ঝাঁপাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।
কোথায় হবে সম্মেলন
তৃণমূল সূত্রে খবর, কোচবিহার জেলায় ২২টি, আলিপুরদুয়ার জেলায় ৮টি, জলপাইগুড়ি জেলায় ১৭টি, দার্জিলিংয়ে ৯টি, উত্তর দিনাজপুর জেলায় ১৪টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১২টি, মালদা জেলায় ১৭টি সম্মিলনীর আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি, মুর্শিদাবাদ জেলায় ৩৯টি, দক্ষিণের জেলা গুলির মধ্যে বীরভূম জেলায় ২৮টি, নদিয়া জেলায় ৩৩টি, পূর্ব বর্ধমান জেলায় ২৯টি, পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ১৮টি, পুরুলিয়া জেলায় ২৩টি, ঝাড়গ্রাম জেলায় ৮টি, বাঁকুড়া জেলায় ২৬টি, উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ৮২টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ৫২টি, হাওড়া জেলায় ১৬টি, হুগলি জেলায় ৩১টি, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ৩৩টি, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ৩০টি বিজয়া সম্মিলনী করা হবে। বাদ যাবে না কলকাতাও। কলকাতায় ১৬টি বিজয়া সম্মিলনী করা হবে।
পক্ষান্তরে জনসংযোগ
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বিজয়া সম্মিলনীর পাশাপাশি, নভেম্বর মাসেই লোকসভা নির্বাচনে রূপরেখা তৈরি করে নিতে চাইছে শাসক দল। সম্প্রতি রাজ্যে একাধিক দুর্নীতিতে জড়িত শাসক দলের নেতা, মন্ত্রীরা জেলে গিয়েছেন। সেই বিতর্ক আরও খানিকটা উস্কে দিয়েছে সম্প্রতি রেশন দুর্নীতি। গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।
এমত অবস্থায়, জনসমর্থন কোনও ভাটা পড়ছে কিনা, পড়লে সেটা রোখার কী উপায় রয়েছে, সমস্ত কিছু বুঝে নিতেই মাঠে নামছেন তৃণমূল নেতারা।ইতিমধ্যেই জেলা স্তরের সমস্ত নেতৃত্বকে বিজয়া সম্মিলনী সূচি অনুযায়ী পালন করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে কালীঘাট। সকাল ১২টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দিনের বিভিন্ন সময় এই সম্মিলনীর জন্য বেঁধে দেওয়া হয়েছে।