কেমন থাকবে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া?
রবিবার থেকে ফের বঙ্গে প্রবেশ করতে চলেছে উত্তর পশ্চিমের ঠান্ডা হাওয়া। আর এর জেরে তাপমাত্রা অনেকটাই কমতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রা অনেকটাই নামবে। অনুভূত হবে শীত শীত ভাব। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে আরও দুই থেকে তিন ডিগ্রি নামবে তাপমাত্রার পারদ।
আগামী ১২ নভেম্বর রবিবার কালীপুজো এবং ১৫ তারিখ ভাইফোঁটা। শীতের আমেজ গায়ে মেখেই কালীপুজো এবং ভাইফোঁটা পালিত হবে। পশ্চিমের জেলাগুলির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে। অর্থাৎ দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের দরজায় কড়া নাড়ছে শীত।
কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?
কলকাতাতে এখনও সেভাবে শীতের আমেজ নেই। তবে ভোরের দিকে শির শিরানি ভাব রয়েছে। রবিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। এদিন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল সর্বাধিক ৮৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৬১ শতাংশ।
আগামী কয়েকদিনে কলকাতায় আপাতত বৃষ্টিপাতের সেভাবে সম্ভাবনা নেই। কালীপুজো এবং ভাইফোঁটার সময় কিছুটা হলেও তাপমাত্রা কমবে। তবে জাঁকিয়ে কবে শীত পড়বে তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।
কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া?
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। আপাতত ভারী বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে সেখানে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও আপাতত নেই।
এল নিনোর প্রভাব
শীতের উপর এল নিনোর প্রভাব পড়তে পারে, এমনটাই মনে করছেন আবহবিদদের একাংশ। এল নিনোর প্রভাবে কি চলতি বছর অপেক্ষাকৃত কম শীত পড়বে? তা নিয়ে চর্চা চলছেই। যদিও এই প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনও তথ্য মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়নি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এল নিনোর একটি বড় প্রভাব পড়তে পারে। শীতের সঙ্গে কোনও রকম আপোস করতে রাজি নয় বাঙালি। এখন দেখার, চলতি মরশুমে কি শীত সুখ উপভোগ সম্ভব হবে!