কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো বলতে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের কাছে যেমন রাজবাড়ির দেবী আরাধনার কথা মাথায় আসে, তেমনই চোখের সামনে ভেসে ওঠে চাষাপাড়া বারোয়ারির বুড়িমার মুখ। জগদ্ধাত্রী পুজোকে ঘিরে কৃষ্ণনগরবাসীর আবেগের অপর নাম বুড়িমা। এলাকার মানুষ ছাড়াও, প্রতিবছরই বহু দূরদূরান্ত থেকে বুড়িমাকে দর্শন করতে কৃষ্ণনগরে ভিড় জমান ভক্তরা। পুজো দেন, প্রসাদ গ্রহণ করেন।
জেনে নিন নির্ঘণ্ট
তাই বুড়িমার পুজো কখন হবে, কখনই বা দেওয়া যাবে পুষ্পাঞ্জলি, এই সমস্ত বিষয়ে ভক্তদের মনে জিজ্ঞাস্যও থাকে প্রচুর। আর তাই বুড়িমার অগণিত ভক্তদের জন্যই তাঁর এবারে পুজোর নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল চাষাপাড়া বারোয়ারি। এই বছর ২৫১তম বর্ষে পদার্পণ করতে চলেছে বুড়িমার পুজো। আগামী ২০ নভেম্বর সোমবার বেলা ১২টা থেকে মানসিক সংক্রান্ত জিনিসপত্র নেওয়া শুরু হবে। সন্ধ্যায় হবে প্রতিমার অলঙ্করণ। এরপর শেষ রাতে ৪টে নাগাদ বাদ্যযন্ত্র সহকারে হবে মঙ্গলঘটের জল আহরণ।
২১ নভেম্বর মঙ্গলবার ভোর ৫/৫৮ গতে দেবীর পূর্বাহ্ন বিহিত সপ্তমী পুজোর শুরু। বেলা সাড়ে ৯টায় পুষ্পাঞ্জলি। বেলা সাড়ে ১০টা দেবীর মধ্যাহ্ন বিহিত অষ্টমী পুজো শুরু। বেলা ১২টায় পুষ্পাঞ্জলি। বেলা ১টা ৩০ মিনিটে অপরাহ্ন বিহিত নবমী পুজোর সূচনা। বেলা ৩টেয় বলিদান। বেলা সাড়ে ৩টেয় পুষ্পাঞ্জলি। বিকেল ৪টে হবে আরতি ও হোম। আর ৬টায় হবে সন্ধ্যারতি।
২২ নভেম্বর বুধবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটের মধ্যে দেবীর দশমী বিহিত পুজো এবং বিসর্জন। বেলা ৩টে ১৯ মিনিটের মধ্যে আসন থেকে অবতরণ করানো হবে দেবীকে।
বুড়িমার পুজোর নির্ঘণ্ট (সূত্র-ফেসবুক)
পুজোয় কড়া নিরাপত্তা
পুজোয় প্রচুর মানুষের ভিড় হবে। তাই যাতে কোনওরকম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয় তার জন্য কড়া নজরদারি থাকবে প্রশাসনের। মোতায়েন থাকবেন প্রচুর পুলিশ কর্মী। অন্যদিকে কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজোয় প্রতিমা নিরঞ্জনের শোভাযাত্রা দেখতেও ভিড় করেন লাখ লাখ মানুষ। সেক্ষেত্রে গোটা শহরকে ঢেকে ফেলা হবে নিরাপত্তার চাদরে।
