Diwali 2023 : শুরু বাজির বাজার, ক্রমেই বাড়ছে বাতাসের বিষ – betting market begins air pollution is gradually increasing before diwali


এই সময়: বাজি নিয়ে বিতর্ক-বিভ্রান্তি দূর করতে দু’বছর আগের রায় মানার জন্যই মঙ্গলবার নতুন করে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ দিন রাজস্থানের একটি মামলার নির্দেশ দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে জানায়, ২০২১ সালে তারা যে নির্দেশ জারি করেছিল, তা কেবল দিল্লি বা রাজস্থানের জন্য নয়, অন্য সব রাজ্যের জন্যই প্রযোজ্য। অর্থাৎ, বেরিয়াম বা অন্যান্য নিষিদ্ধ রাসায়নিকযুক্ত সব ধরনের বাজিই সারা দেশে নিষিদ্ধ এবং এর ফলে কেবল সবুজ বাজিই ছাড় পাবে।

এই পরিস্থিতিতে বাংলায় নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার অব্যাহত। একই সঙ্গে কলকাতার বাতাসে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দূষণও। এ দিন বালিগঞ্জ এলাকার বাতাসে পিএম ২.৫-এর, অর্থাৎ অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণার মাত্রা ছিল ২৮০। যা যথেষ্ট খারাপ। এরই মধ্যে মঙ্গলবার কলকাতায় শুরু হয়ে গেল বাজি বাজার। তবে সবুজ বাজি নিয়ে ধন্দ কাটছে না। যে স্ক্যানার দিয়ে সবুজ বাজির মোড়কে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করার কথা, তা ঠিক মতো কাজ করছে না, এমন অভিযোগ উঠেছে।

বাজি পোড়ানোর ক্ষেত্রে নিয়ম ও নির্দেশিকা নিয়ে নতুন করে কিছু বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সেই বিষয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজস্থান সরকার। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের বিচারপতি এএস বোপান্না এবং বিচারপতি এমএম সুন্দ্রেশের বেঞ্চ নির্দেশে বলে, ‘বাজি নিয়ে ২০২১ সালে এই কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছিল, সেই নির্দেশ শুধু দিল্লির জন্য দেওয়া হলেও তা সারা দেশেই প্রযোজ্য। রাজস্থান এবং দেশের অন্যান্য রাজ্যকেও তা মানতে হবে।

‘দু’বছর আগের নির্দেশে বিচারপতি এএস বোপান্না এবং বিচারপতি এমআর শাহের বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, বেরিয়াম এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ রাসায়নিক ব্যবহার করে তৈরি কোনও ধরনের বাজি পোড়ানো যাবে না, তা তার শব্দমাত্রা যা-ই হোক না কেন। জাতীয় পরিবেশ আদালতের নির্দেশ মতো কেবল সবুজ বাজিই ফাটানো বা পোড়ানো যাবে।

কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত। কেবল সবুজ বাজিই ফাটবে। বাজি পরীক্ষার দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের প্রশিক্ষণ রয়েছে। সেই জন্যই নিষিদ্ধ বাজি ধরা পড়ছে। কড়া নজরদারি চলছে।’ সোমবারের পর মঙ্গলবারও দক্ষিণ শহরতলির মহেশতলা, নুঙ্গি ও বজবজ এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১৫০ কেজি বাজি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

এ দিন কলকাতার চার প্রান্তে বাজি বাজার শুরু হয়েছে। সোমবার বাজি বাজার শুরু হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশ ওই দিন ছাড়পত্র দেয়নি। সোমবার পুলিশ বাজি বাজারগুলো সরেজমিনে খতিয়ে দেখে তার পরেই ছাড়পত্র দেয়। তার পর এ দিন বাজি বাজার শুরু হতে আর বাধা থাকেনি। ক্রেতাদের বলা হয়েছে, গুগল কিংবা বাজির ক্ষেত্রে নিয়ামক সংস্থা ‘নিরি’-র কিউআর কোড স্ক্যানার দিয়ে বাজির মোড়ক স্ক্যান করে বাজি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেলে তবেই তা কেনা যাবে।

বাজারের জন্য ছাড়পত্র পাবে পাশ করা বাজি
কিন্তু এ দিন দেখা যায়, অ্যান্ড্রয়েড টুয়েল্‌ভ-এর নীচের ভারশানের মোবাইল ফোনে নিরি-র অ্যাপ থেকে সবুজ বাজির কিউআর কোড স্ক্যান করা যাচ্ছে না। কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার রিজার্ভ ফোর্স অভিষেক গুপ্তা বলেন, ‘৩০টি বাজির মধ্যে মোট ১৩টি বাজি ছাড়পত্র পেয়েছে। সেগুলোর বাইরে অন্য কোনও বাজি বিক্রি হচ্ছে না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *