Madhyamgram Kali Puja 2023 : বারাসতকে টক্কর দিচ্ছে মধ্যমগ্রামও, মিস করবেন না কোন মণ্ডপগুলি? – madhyamgram kali puja 2023 celebrated with huge crowd for pandal hopping


কালীপুজো ভাবলেই সবার আগে মাথায় আসে বারাসত। তবে বারাসতের পাশাপাশি মধ্যমগ্রামের কালীপুজো বলছে, হাম ভি কিসিসে কম নেহি! বারাসতকে টেক্কা দিতে প্রস্তুত মধ্যমগ্রামের পুজোগুলিও। থিমের ভাবনা থেকে শুরু করে প্রতিমা, আলোকসজ্জা সব ক্ষেত্রেই সমান প্রতিযোগী মধ্যমগ্রামের কালীপুজো।
রবিবার বিকেলের পর থেকেই বারাসতের পাশাপাশি মধ্যমগ্রামের রাস্তাতেও মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সন্ধ্যা গড়ালেই মধ্যমগ্রামের কালীপুজো দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়ে।

কেমন থিম এবার?

মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় ইয়ং রিক্রিয়েশন ক্লাবের থিম করা হয়েছে এবার বাংলার টেরাকোটার শিল্প। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মহিষাদলের রাজবাড়ির আদলে পুরো মণ্ডপ নির্মাণ করেছেন শিল্পীরা। পাশাপাশি থাকছে, বাঁকুড়া জেলার বিশ্ব বিখ্যাত টেরাকোটা শিল্পের কাজ।

এরপর মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া শৈলেশনগর যুবক সঙ্ঘের কালীপুজোকে ঘিরেও আকর্ষণ রয়েছে দর্শনার্থীদের। এ বছর তাঁদের পুজো ৫৯ বছরে পড়ল। উদ্যোক্তাদের ভাবনায় এবারের থিম হিসেবে জায়গা পেয়েছে সত্যজিৎ রায়ের হীরক রাজার দেশে। মণ্ডপের সঙ্গে মানানসই প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে মণ্ডপে।

দর্শনার্থীদের মণ্ডপ পরিদর্শনের তালিকায় জায়গা করে নেয় মেঘদূত শক্তি সঙ্ঘের কালীপুজো। এ বছর ৫২ বছরে পড়ল বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। থিমের ভাবনা ‘কী নেই এখানে।’ অর্থাৎ, কোন জেলায় কী বিখ্যাত, সেখানকার সংস্কৃতি থেকে লোকসংখ্যা কত, সে সব সম্পর্কে ধারণা দিতেই এবারের মণ্ডপ নির্মাণ। মণ্ডপ নির্মাণে রয়েছে শিক্ষার ছোঁয়া। মোট ২৩ জেলার খুঁটিনাটি জানা যাবে এই ক্লাবের কালীপুজোয়।

মধ্যমগ্রামের আরেকটি আকর্ষনীয় পুজো হল পূর্বাশা যুব পরিষদের কালীপুজো। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এবার তাঁদের মণ্ডপে ঢোকার মুখেই থাকছে ৬১ ফুট উচ্চতার শিবের মূর্তি। এছাড়া দর্শকদের মনোরঞ্জনের জন্য থাকবে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড। আদি যোগীনাথকে দর্শনার্থীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে।

Kali Puja 2023 : নিজেই মূর্তি তৈরি করে মন্ত্র পাঠ করে পুজো করে ১৩ বছরের পবিত্র
উল্লেখ্য, কালী পুজোর কারণে এবার বারাসত এবং মধ্যমগ্রাম জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থকে আঁটোসাঁটো করেছে পুলিশ। জাতীয় সড়ক ধরে ভারী পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল পুজোর কটাদিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুজোর মধ্যে পকেটমারি, চুরি, ছিনতাই রুখতে থাকছে পুলিশ বাহিনীর টহলদারি। ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে সর্বত্র।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *