Chandannagar Jagadhatri Puja: হাইড্রা মেশিন ব্যবহার করে তৈরি সুবিশাল মণ্ডপ, ১২০ ফুট উঁচু আলোক সজ্জায় তাক লাগাবে চন্দননগর – chandannagar barabazar sarbajanin jagadhatri puja using hydra machine to set their unique theme puja pandal


Jagadhatri Puja 2023: দীপাবলীর আলো নিভতেই জ্বলে উঠতে চলেছে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর আলো। আলোকসজ্জায় চন্দননগরের খ্যাতি ছড়িয়ে আছে জগৎজুড়ে । আলোকসজ্জা দেখতে রাজ্যর বিভিন্ন প্রাপ্ত থেকে মানুষ আসেন চন্দননগরে। দুর্গাপুজো থেকে কালীপুজো, রাজ্যের বাইরে গণেশপুজোতেও চন্দননগর থেকে যায় আলোক সজ্জা। শুধু আলোকসজ্জা নয়, জগদ্ধাত্রী পুজোয় সুউচ্চ প্রতিমাতেও জগৎজোড়া নাম রয়েছে এই শহরের।

পুজোর দিনগুলিতে প্রতিমা দেখতে হাজার হাজার দর্শনার্থীরা ভিড় জমান মণ্ডপগুলিতে। কোথাও থিম আবার, কোথাও সাবেকিআনার ছোঁয়া। রংবেরঙের আলোয় সেজে উঠছে গোটা চন্দননগর চত্বর। আলোকসজ্জায় প্রতিবারের মতো এবারও দর্শনার্থীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ বড়বাজার সার্বজনীন জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির মণ্ডপ। এই মণ্ডপ সজ্জায় এবছর তারা থিম ভাবনায় ফুটিয়ে তুলেছেন পরম্পরা। অর্থাৎ লোকশিল্প ও পটশিল্পকে মণ্ডপ শয্যায় তুলে ধরা হয়েছে। হাতে আর সময় নেই, পুজোর বাকি আর নামমাত্র কয়েকটা দিন। তাই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতেও কোন খামতি রাখতে চাইছেন না উদ্যোক্তারা। দ্রুত মণ্ডপ নির্মাণ করতে ব্যবহার করা হচ্ছে হাইড্রা মেশিনকে। যার সাহায্যে মণ্ডপের বিভিন্ন বড় বড় গেটগুলিকে দ্রুত টেনে তোলা হচ্ছে।

এদিকে আবহাওয়ার আপডেট খানিকটা চিন্তায় রেখেছে পুজো উদ্যোক্তাদের। ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে একাংশ ভিজবে বৃষ্টিতে। উপকূলের এলাকাগুলিতে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মণ্ডপ সম্পূর্ণ করার শেষ পর্যায়ে বৃষ্টি নামলে বা প্রকৃতির রোষ পড়লে পণ্ড হবে মণ্ডপ, আশঙ্কা পুজো উদ্যোক্তাদের।

পুজোর উদ্যোক্তা প্রণব শীল বলেন, ‘এ বছরে পুজোর থিম করা হয়েছে পরম্পরা ।লোকশিল্প আর পটশিল্পকে মণ্ডপ শয্যায় ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। আগে বংশপরম্পরায় লোকশিল্পের সঙ্গে যুক্ত থেকে বহু মানুষ কাজ করতো । আধুনিক মেশিন আসার ফলে এই লোক শিল্প বা পট শিল্প আস্তে আস্তে হারিয়ে যেতে বসেছে। তাই এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতেই উদ্যোগ নিয়েছে পুজো উদ্যোক্তারা । সবটাই করা হচ্ছে হাতের কাজের মাধ্যমে।’

Cyclone Midhili Update: ধেয়ে আসছে সাইক্লোন মিধিলি, দুরুদুরু বুকে জগদ্ধাত্রীর কাছে প্রার্থনায় চন্দননগর

মণ্ডপে ব্যবহার করা হয়েছে কাপড়, মাটির থালার উপর পট চিত্র, লোকশিল্প করতে যা যা লাগে সবটাই ব্যবহার করা হয়েছে মণ্ডপে। কিন্তু, বড় বড় গেট গুলিকে তুলতে ব্যবহার করা হচ্ছে হাইড্রা মেশিন। চন্দননগর মানেই থাকে আলোর রোশনাই। তাই পথ আলোকসজ্জাতেও রয়েছে অভিনবত্ব। যা এর আগে চন্দননগরে হয়নি বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। এই মণ্ডপে এলেই ১২০ ফুট উঁচু টানা একটি সিলিংয়ের আলো দেখা যাবে । যা দর্শনার্থীদের মন জয় করবে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *